বেশ কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে, নিশ্চিত করেছে কুয়েত
বেশ কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে, নিশ্চিত করেছে কুয়েত
editor
প্রকাশিত মার্চ ২, ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ণ
Manual8 Ad Code
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে সোমবার সকালে বেশ কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে, তবে ক্রুরা নিরাপদ আছেন।
মন্ত্রণালয়টির দাপ্তরিক মুখপাত্র কর্নেল সৌদ আল আতওয়ান জানিয়েছেন, তাৎক্ষণিকভাবে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয় আর ক্রুদের সরিয়ে নিয়ে শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ক্রুদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল আছে বলে জানিয়েছেন তিনি; খবর গাল্ফ নিউজের।
Manual4 Ad Code
আতওয়ান আরও জানান, কুয়েতের কর্তৃপক্ষ ঘটনাগুলোর পরিস্থিতি নির্ধারণে সরাসরি মার্কিন বাহিনীগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করছে এবং যৌথ প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। তদন্ত চলমান আছে আর জনসাধারণকে তথ্যের জন্য সরকারি সূত্রগুলোর ওপর নির্ভর করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
কুয়েত নিশ্চিত করার আগে ইরান একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান গুলি করে ফেলে দেওয়ার দাবি করে সেটির কথিত ভিডিও অনলাইনে শেয়ার করেছিল। ওই ভিডিওতে একটি যুদ্ধবিমানকে ঘুরে ঘুরে নিচে পড়ে যেতে দেখা গেছে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা সোমবার তৃতীয় দিনে গড়ানোর পর এ দাবি জানিয়েছে তেহরান।
অনলাইনে শেয়ার করা ভিডিওটি থেকে পরিষ্কার হওয়া যায়নি যে যুদ্ধবিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের না ইসরায়েলের। ইসরায়েলও দুই ইঞ্জিনের সব আবহাওয়ার উপযোগী যুক্তরাষ্ট্রের নির্মিত এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে।
ভিডিওতে দেখা গেছে, বিমানটির পেছন দিকে আগুন জ্বলছে আর এটি নিয়ন্ত্রণ হারা অবস্থায় ধীরে ধীরে ঘুরে ঘুরে নিচে পড়ে যাচ্ছে।
Manual4 Ad Code
বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিমানটি পাইলট নিরাপদে বের হয়ে যেতে পেরেছেন।
বিমানটি কুয়েতে বিধ্বস্ত হয়েছে আর নিচে পড়ার পর সেটি থেকে ধোঁয়া উঠছিল বলে জানিয়েছে তারা। কী কারণে এ যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে তা পরিষ্কার হয়নি।
Manual2 Ad Code
শনিবার সকাল থেকে ইরানের সরকারি বিভিন্ন স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে মার্কিন ঘাঁটি আছে সবগুলোতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে।
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলের হামলায় প্রথমদিনই নিজ কম্পাউন্ডে নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।