আজ রবিবার, ৪ঠা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূরাজনৈতিক সংঘাতের পরবর্তী কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে বঙ্গোপসাগর: ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ

editor
প্রকাশিত অক্টোবর ৪, ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ
ভূরাজনৈতিক সংঘাতের পরবর্তী কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে বঙ্গোপসাগর: ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ

Manual3 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual2 Ad Code

দুই দেশের সম্পর্কের উত্থান-পতনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিভিন্ন প্রশ্ন ও সমস্যা রয়েছে। এসবের সমাধানে শুধু কী করা সম্ভব, তা নিয়ে ভাবলে হবে না। কেন কোনো কিছু সম্ভব নয়, সেই প্রশ্নও করতে হবে। এতে নতুন সম্ভাবনার পথ তৈরি হতে পারে।

বিশ্বের বিভিন্ন কৌশলগত সমুদ্রপথে চলমান সংঘাত ও উত্তেজনা দানা বাঁধছে। একারণে বঙ্গোপসাগর এবং সার্বিকভাবে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল—ভূরাজনৈতিক সংঘাতের পরবর্তী প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বিশিষ্ট সাংবাদিক এম জে আকবর।

আজ রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘ বে অব বেঙ্গল কনফারেন্সে’ দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এম জে আকবর বলেন, নিজস্ব সরবরাহ ব্যবস্থা বৈচিত্র্যময় করার নানা চেষ্টা সত্ত্বেও চীনের মোট ব্যবহৃত জ্বালানির প্রায় ৮০ শতাংশ এখনও মালাক্কা প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি জলপথ বা ‘চোকপয়েন্ট’ হিসেবে রয়ে গেছে। তিনি বলেন, “যদি তাইওয়ান সংকট প্রবল হয়ে ওঠে—যার জন্য ইতিমধ্যেই নানামুখী প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে—তবে সেই সংঘাতের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে এই মালাক্কা প্রণালী।”

Manual2 Ad Code

সম্মেলনের “ফাইভ সিজ, ওয়ান গ্যাদারিং স্টর্ম” (পাঁচ সাগর, ঘনীভূত একটি ঝড়) শীর্ষক বিশেষ অধিবেশনে তিনি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে সাময়িক মেঘ বা ঝড় এলেও—দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধন মুছে যাবে না বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্কে উত্থান-পতন থাকবেই। তবে সমস্যা সমাধানে সবসময় শুধু কী সম্ভব, তা নয়; কেন অসম্ভব নয়, সেই প্রশ্নও করতে হবে। তাহলেই নতুন সম্ভাবনার পথ খুলে যেতে পারে।

এম জে আকবর বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত—দুই দেশই নিজেদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা রাষ্ট্র। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপরিচয়ের মূল ভিত্তি হলো ভাষা। বাংলা ভাষার শক্তি ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ই বাংলাদেশকে অন্যদের থেকে আলাদা বৈশিষ্ট্য দিয়েছে।

দুই দেশের সম্পর্কের উত্থান-পতনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিভিন্ন প্রশ্ন ও সমস্যা রয়েছে। এসবের সমাধানে শুধু কী করা সম্ভব, তা নিয়ে ভাবলে হবে না। কেন কোনো কিছু সম্ভব নয়, সেই প্রশ্নও করতে হবে। এতে নতুন সম্ভাবনার পথ তৈরি হতে পারে।

এম জে আকবর আরও বলেন, ভারত মহাসাগরে ভারতের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত ভূমিকা দেশটির নিরাপত্তা ভাবনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে। “ভারত এখন ভারত মহাসাগরে একটি উদীয়মান শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে,” বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সুএঃ দ্যা বিজনেস

Manual6 Ad Code

 

Manual6 Ad Code