পশ্চিমবঙ্গে মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন; মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর হাতে থাকছে চার মন্ত্রণালয়
পশ্চিমবঙ্গে মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন; মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর হাতে থাকছে চার মন্ত্রণালয়
editor
প্রকাশিত জুন ১০, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
Manual7 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
সরকার গঠনের এক মাসেরও বেশি সময় পর অবশেষে দপ্তর বণ্টন হলো পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি মন্ত্রিসভার। বুধবার রাজ্য সরকারের এক বিবৃতির মাধ্যমে রাজ্যের ৪১ জন মন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। এতে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর দেওয়ার পাশাপাশি আগে শপথ নেওয়া মন্ত্রীদের দপ্তরেও কিছুটা রদবদল আনা হয়েছে। বণ্টন তালিকা থেকে দেখা গেছে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজের হাতে রেখেছেন চার মন্ত্রণালয়।
৪১ সদস্যের এই মন্ত্রিসভায় ১৯ জন পূর্ণমন্ত্রী, ৩ জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।
গত ৯ মে ব্রিগেডের শপথ-সমারোহে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে পাঁচ মন্ত্রী (দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিক, অশোক কীর্তনিয়া ও ক্ষুদিরাম টুডু) শপথ নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ১ জুন লোক ভবনে শপথ নেন মন্ত্রিসভার বাকি ৩৫ জন সদস্য, যাঁদের দপ্তর এবার বুঝিয়ে দেওয়া হলো।
Manual5 Ad Code
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাতে থাকছে স্বরাষ্ট্র, আইন ও বিচার, ভূমি ও ভূমি রাজস্ব এবং বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়। দিলীপ ঘোষের হাতে থাকছে পঞ্চায়েত, কৃষি বিপণন ও প্রাণিসম্পদ; অগ্নিমিত্রা পালের হাতে থাকছে পুর ও নগর উন্নয়ন; নিশীথ প্রামাণিকের হাতে থাকছে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন; অশোক কীর্তনিয়ার হাতে থাকছে খাদ্য ও সরবরাহ; এবং ক্ষুদিরাম টুডুর হাতে থাকছে আদিবাসী উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর।
পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী হচ্ছেন স্বপন দাশগুপ্ত। শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন তাপস রায়। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পেশায় চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। উচ্চশিক্ষা দপ্তর দেওয়া হয়েছে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়কে। স্কুলশিক্ষা, আবাসন এবং ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দীপক বর্মণকে।
Manual1 Ad Code
মন্ত্রণালয়ের তালিকা অনুযায়ী কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন দুধকুমার মণ্ডল। সংসদীয় ও পর্যটন দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শঙ্কর ঘোষকে। পরিবহন ও শ্রম দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন অর্জুন সিং। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং উদ্যানবিদ্যা দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন কল্যাণ চক্রবর্তী। বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন মনোজ কুমার ওরাও।
Manual3 Ad Code
স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত তিন মন্ত্রীর মধ্যে মালতী রাভা রায় পেয়েছেন নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠী মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। পানিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের দায়িত্ব পেয়েছেন রাজেশ মাহাতো। আর ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ এবং ক্রেতা সুরক্ষা (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত) মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন ইন্দ্রনীল খাঁ।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যাঁরা দায়িত্ব পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম জুয়েল মুর্মুকে আদিবাসী উন্নয়ন, হরেকৃষ্ণ বেরাকে উচ্চশিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা, আনন্দময় বর্মনকে পরিবহন ও অর্থ, অশোক দিন্দাকে কৃষি বিপণন, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প এবং পূর্ণিমা চক্রবর্তীকে তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক এবং পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।