খালেদ মুহিউদ্দীন; অপরাধ করলে বিচার করেন, জামিন দিচ্ছেন না কেন?
খালেদ মুহিউদ্দীন; অপরাধ করলে বিচার করেন, জামিন দিচ্ছেন না কেন?
editor
প্রকাশিত মার্চ ৩, ২০২৬, ০১:৪১ পূর্বাহ্ণ
Manual6 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual5 Ad Code
যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বাংলা দৈনিক ঠিকানার সিইও সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দীন বলেছেন, ‘কেউ অপরাধ করলে তার বিচার হোক কিন্তু বছরের পর বছর জামিন না দিয়ে খুনের মামলায় আসামি করে রাখা গ্রহণযোগ্য নয়। কারো বিরুদ্ধে অন্য কোনো অভিযোগ থাকলে তদন্ত করে বিচার করুন। কিন্তু দুই বছর ধরে জামিন না দিয়ে খুনের মামলার আসামি বানিয়ে রাখা এটা কী ধরনের ন্যায়বিচার?’
সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘উচিত কথা’য় খালেদ মুহিউদ্দীন এসব কথা বলেছেন।
খালেদ মুহিউদ্দীন উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনার আমলে প্রেস কনফারেন্সে এমন অনেকেই যেতেন, যারা প্রশ্ন করার বদলে প্রশংসা করতেন।
তার মতে, কেউ যদি তখন প্রশংসা করে থাকেন বা সুবিধা নিয়ে থাকেন, সেটার আলাদা বিচার হতে পারে। কিন্তু তাই বলে তাদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দেওয়া যায়?
ড. মোহাম্মদ ইউনূসের সরকারের সময়ের প্রসঙ্গ টেনে খালেদ মুহিউদ্দীন বলেছেন, আমি তাদের মুক্তি চাই— মানে এই যে, অভিযোগ থাকলে বিচার করুন। কিন্তু বছরের পর বছর জামিন না দিয়ে খুনের আসামি করে রাখা অন্যায়।’
Manual5 Ad Code
তিনি আরো বলেছেন, কারো বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অপরাধ থাকলে তার দায় নির্ধারণ করতে হবে।
Manual2 Ad Code
যদি শেখ হাসিনা কোনো হত্যার নির্দেশ দিয়ে থাকেন, সেটি তার ব্যক্তিগত অপরাধ। সাংবাদিকরা শুধু প্রশংসা করেছেন এই অভিযোগে তাদের জেলে রাখা কি ন্যায্য?
খালেদ মুহিউদ্দীন অভিযোগ করেন, অনেকেই বছরের পর বছর কারাগারে আছেন, জামিন পাচ্ছেন না। অন্তর্বর্তী সরকারকে একাধিকবার অনুরোধ করা হলেও এ বিষয়ে পরিবর্তন আসেনি। বর্তমান সরকারের প্রতিও তিনি আহ্বান জানাচ্ছি- মামলার পর মামলা দিয়ে আটকে রাখার কৌশল বন্ধ করুন।
Manual7 Ad Code
আমরা ন্যায়বিচার আশা করি।’
খালেদ মুহিউদ্দীন আরো বলেছেন, ড. ইউনূস একসময় বলেছিলেন মন খুলে সমালোচনা করতে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সেই সমালোচনার পরিণতি কী? আনিস আলমগীর এখনো জেলে কেন? এর জবাব তো কাউকে দিতে হবে।
নিজের অবস্থান নিয়ে খালেদ মহিউদ্দিন বলেছেন, গত সতেরো মাস আমি নাকি ড. ইউনূসের সমালোচনা করেননি এমন অভিযোগ তোলা হচ্ছে। আমি সমালোচনা শুরু করেছি তখন থেকেই, যখন দেখেছি সমালোচনার মতো কাজ হচ্ছে অর্থাৎ তিনি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার এক বছরের মধ্য থেকেই।
এ জন্য আমাকে অনেক কথা শুনতে হয়েছে। নিউ ইয়র্কে অন্তত দুটি পত্রিকায় আমাকে বর্জনের আহ্বান জানিয়ে লিড স্টোরি হয়েছে।
তিনি আরো বলেছেন, আমি শুধু বলেছিলাম নোবেল শান্তি পুরস্কার আর শান্তি এক জিনিস নয়। আর ড. ইউনূসের কাছেও কোনো জাদুর কাঠি নেই যে তিনি এক দিনে সব সমস্যার সমাধান করে ফেলবেন।’