আজ মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ণ
জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ

Manual3 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

নওগাঁ-৫ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামি ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ি ইউনিয়নের মাখনা কোমলগোটা গ্রামে এ সংঘর্ষ ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

Manual1 Ad Code

স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতের একটি নির্বাচনী প্রচারণা শেষে ওই এলাকায় দুপুরের খাবারের আয়োজন করা হয়। নওগাঁ-৫ আসনের জামায়াত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আ স ম সায়েমসহ নেতাকর্মীরা সেখানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় গোপাই গ্রামের বিএনপির কয়েকজন কর্মী খাবারের আয়োজনের ভিডিও ধারণ করলে ছবি তোলা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

Manual6 Ad Code

সংঘর্ষের সময় উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হন। পরে হাঁসাইগাড়ি ইউনিয়নের বিএনপির কিছু নেতাকর্মী ঘটনাস্থলে গিয়ে জামায়াতের কয়েকজনকে ঘরবন্দি করে রাখেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

নওগাঁ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নিয়ামুল হক বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে এখনো কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Manual5 Ad Code

নওগাঁ সদর উপজেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম অভিযোগ করে বলেন, গণসংযোগ শেষে জামায়াত প্রার্থী একটি বাড়িতে বিশ্রাম করছিলেন। এ সময় বিএনপির কর্মীরা পাইপ নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তাদের অন্তত আটজন কর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

Manual2 Ad Code

অন্যদিকে নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জামায়াতের লোকজনই প্রথম হামলা চালায় এবং বিএনপির দুই কর্মীকে আহত করে মোবাইল ভাঙচুর করেছে। খাবারের ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে।

তিনি আরও বলেন, এর আগেও ওই এলাকায় বিএনপির খাবারের আয়োজন নিয়ে জামায়াত প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেছিল। আজ জামায়াত একই ধরনের আয়োজন করলেও বিএনপির কর্মীরা ভিডিও করলে মারধরের শিকার হন।