বনানীতে শায়িত হলেন তৌফীক নাওয়াজ, দীপু মনি ফিরছেন কারাগারে
বনানীতে শায়িত হলেন তৌফীক নাওয়াজ, দীপু মনি ফিরছেন কারাগারে
editor
প্রকাশিত আগস্ট ২০, ২০২৬, ০৬:৫৬ অপরাহ্ণ
Manual4 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual3 Ad Code
সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেত্রী ডা. দীপু মনির স্বামী এবং সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। পাশেই তার মা খায়রন নেছার কবর।
Manual6 Ad Code
এ সময় প্যারোলে মুক্তি পাওয়া দীপু মনি কবরস্থানে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মেয়ে দ্বীপান্বিতা নেওয়াজ কবরে মাটি ছড়িয়ে দেন। দাফনের পর মোনাজাতে অংশ নেন দীপু মনিসহ উপস্থিত সবাই। বনানী গোরস্তান মসজিদের ইমাম মাওলানা ওমর ফারুক মোনাজাত পরিচালনা করেন।
Manual7 Ad Code
স্বামীকে দাফনের পর বনানী কবরস্থানে নিজের বাবা এম এ ওয়াদুদের কবর জিয়ারত করেন দীপু মনি। ওয়াদুদ ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। কবর জিয়ারত শেষে বৃষ্টির মধ্যেই দীপু মনিকে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। সন্ধ্যা ৬টায় তার প্যারোলের মেয়াদ শেষ হবে। তার মধ্যেই তাকে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।
Manual6 Ad Code
আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি চব্বিশের আন্দোলনের পরে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ কারাগারে আটক আছেন। স্বামীর শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে তাকে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়।
স্বামীর জানাজা ও দাফনে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার সকালে প্যারোলে মুক্তি পান দীপু মনি। সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে তাকে মুন্সীগঞ্জ কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে কঠোর পুলিশি পাহারায় ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। সকাল সোয়া ৮টায় তিনি কলাবাগানের বাসায় পৌঁছান। পুলিশকে ওই বাড়ি ঘিরে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়। ওই বাড়িতে যারা যাচ্ছিলেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ।
বেলা সোয়া ১২টার পর তৌফীক নাওয়াজের মরদেহ নিয়ে ফ্রিজার ভ্যান রওয়ানা হয় গুলশানের আজাদ মসজিদের দিকে। এর পরপরই দীপু মনিকে প্রিজন ভ্যানে করে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। বাদ জোহর আজাদ মসজিদে যখন জানাজার নামাজ চলছিল, দীপু মনি বাইরে প্রিজন ভ্যানে ছিলেন। জানাজা শেষে ভ্যান থেকে নেমে শেষবারের মতো স্বামীকে দেখেন তিনি। এ সময় আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
বেলা ২টার দিকে দীপু মনিকে আবার প্রিজন ভ্যানে করে বনানী কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। দাফন শেষে সেই ভ্যান তাকে নিয়ে রওনা হয় মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারের উদ্দেশ্যে।