আজ বুধবার, ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেশি মূল্য খাদ্য সরবরাহ ও বিক্রি করলে আইনি ব্যবস্থা: জেলা প্রশাসক

editor
প্রকাশিত আগস্ট ২৭, ২০২৫, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
বেশি মূল্য খাদ্য সরবরাহ ও বিক্রি করলে আইনি ব্যবস্থা: জেলা প্রশাসক

Manual4 Ad Code
তিমির বনিক:
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং দ্রব্যরমূল্য নিয়ন্ত্রণ রক্ষার লক্ষ্যে সর্বস্তরের ব্যবসায়ীদের সাথে  মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, বাজারে বেশি দামে খাদ্য সরবরাহ করলে এবং বাজারে অস্থির পরিবেশ সৃষ্টি করলে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (২৬শে আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মৌলভীবাজারের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ,ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ,চেম্বার অব কমার্স, খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ের সকল ব্যবসায়ী ( মাংস, ডিম, ফল, সবজি, মুদি, মিষ্টি ইত্যাদি ), কনজুমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সকলের অংশীজনের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপস্থিত অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তানভীর হোসেন এর সঞ্চালনায় ও জেলা প্রশাসক মোঃ ইসরাইল হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ সাকিব আহমদ,ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ সহকারি পরিচালক আল-আমিন মৌলভীবাজারের বাজারের বিভিন্ন বিষয় প্রজেক্টর এর মাধ্যমে তুলে ধরেন।
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন,সাবেক মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা.জিল্লুল হক,জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইয়ামীর আলী,জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ফখরুল ইসলাম,চেম্বার অফ কমার্সের পরিচালক জাবেদ আহমদ,ব্যবসায়ী সৈয়দ মহিউদ্দিন চৌধুরী শাহীন,ব্যবসায়ী মোঃ নুরুল ইসলাম ও বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকবৃন্দ প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় বাজারে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ, দ্রব্যমূল্যেস্থিতিশীল রাখা এবং ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষার বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। বিশেষভাবে ডিম, মাংস, ফল, সবজি, মুদিমাল, মিষ্টিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্ষেত্রে ন্যায্য দামে ও সীমিত লাভে পণ্য বিক্রয়ের জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি নির্দেশনা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে পণ্যের মূল্য সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। সবার সম্মতিতে সভায় ডিম, মাংস, ফলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের মুনাফার হার নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।
মতবিনিময় সভাটি স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের মধ্যে সমন্বিত প্রচেষ্টা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্ৰহন করা হয়।