বিএনপি ও এনসিপির দফায় দফায় সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ আহত ২০
বিএনপি ও এনসিপির দফায় দফায় সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ আহত ২০
editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০৭:০৪ অপরাহ্ণ
Manual3 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক:
নির্বাচন-পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ কেন্দ্র করে নোয়াখালীর হাতিয়ায় বিএনপি ও এনসিপির সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
Manual8 Ad Code
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের প্রকল্প বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
Manual4 Ad Code
স্থানীয়রা জানান, নির্বাচন সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যান সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ। প্রকল্প বাজার এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তার গাড়িবহরে হামলা চালায়। এতে কয়েকজন আহত হন।
খবর ছড়িয়ে পড়লে তার সমর্থক ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। পরবর্তীতে উভয় পক্ষ রাস্তায় অবস্থান নিলে পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে এমপি হান্নান মাসউদ ঘটনাস্থলের সড়কে অবস্থান নেন এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
Manual3 Ad Code
সংঘর্ষে হাতিয়া থানা পুলিশের পরিদর্শক শহীদুল্লাহ ও উপপরিদর্শক (এসআই) শহীদুল ইসলামসহ বিএনপি ও এনসিপির প্রায় ২০ জন আহত হয়েছেন বলে উভয় দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। আহতদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ সময় এমপি আবদুল হান্নান মাসউদ অভিযোগ করে জানান, তিনি ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে দেখে ফেরার পথে স্থানীয় বেলাল নামে এক ব্যক্তির নেতৃত্বে তার গাড়িবহরের পেছন থেকে হামলা চালানো হয়। তিনি দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি করেন।
Manual5 Ad Code
অন্যদিকে চানন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রকল্প বাজারে হান্নান মাসউদ উস্কানিমূলক বক্তব্য দেন। তার বক্তব্যের পর তার দলের নেতাকর্মীরা বাজারে উঠে প্রথমে বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর করে। পরে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর শুরু করলে স্থানীয় লোকজন প্রতিরোধের চেষ্টা করে।
এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, উভয় পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশ পরিদর্শক শহীদুল্লাহ ও এসআই শহীদুল ইসলাম আহত হয়েছেন। তিনি ঘটনাস্থলে রয়েছেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কাজ করছে।