রাজশাহীতে গুঁড়িয়ে দেওয়া আ.লীগ অফিসের মালিকানা দাবি
রাজশাহীতে গুঁড়িয়ে দেওয়া আ.লীগ অফিসের মালিকানা দাবি
editor
প্রকাশিত মার্চ ২৭, ২০২৬, ০২:২৬ অপরাহ্ণ
Manual8 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক:
রাজশাহীর কুমারপাড়ায় মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের মালিকানা দাবি করে সাইনবোর্ড টানিয়ে দিয়েছেন দলের নেতা অ্যাডভোকেট পূর্ণিমা ভট্টাচার্যের ছেলে দুর্জয় মৈত্র সমকাল
Manual1 Ad Code
রাজশাহীর কুমারপাড়ায় অবস্থিত মহানগর আওয়ামী লীগের গুঁড়িয়ে দেওয়া কার্যালয়ের জমিটির মালিকানা দাবি করে এবার সেখানে সাইনবোর্ড টানানো হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে পরিত্যক্ত ধ্বংসস্তূপের ওপর ডা. দুর্জয় মৈত্র নামে সাইনবোর্ডটি টানানো হয়।
Manual3 Ad Code
ওয়ারিশ সূত্রে জমিটির মালিক তিনি–এমন দাবি করা হয়েছে। ডা. দুর্জয় মৈত্র জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট পূর্ণিমা ভট্টাচার্যের ছেলে।
অ্যাডভোকেট পূর্ণিমা ভট্টাচার্য সমকালকে বলেন, ‘এটি আমার দাদাশ্বশুর রাজা অন্নদা প্রসন্ন লাহিড়ীর সম্পত্তি। আমার স্বামী মারা গেছেন, সেই হিসেবে আমার ছেলে এখন ওয়ারিশ সূত্রে এই জমির মালিক। জমিটি বেদখলে ছিল। ২০১৬ সালে নিম্ন আদালতে এবং ২০১৮ সালে আপিলের রায় আমার ছেলের পক্ষে আসে।এরপর লিটন ভাই (সাবেক রাসিক মেয়র ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য) আমাকে জমির ভাড়া দিতেন।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের এই অফিসটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর এখানে মুজিব পাবলিক টয়লেট নির্মাণসহ বিভিন্ন সাইনবোর্ড দেওয়া হয়। আমরা তো নিজের বাথরুমেই পানি ঢালি না। এখানে পাবলিক টয়লেট হলে আশপাশে কেউ বসবাস করতে পারবে না। আমাদের জমি দেব কেন পাবলিক টয়লেট করতে? তাই আমার ছেলে সাইনবোর্ড দিয়েছে। এখন সে যদি মনে করে এখানে দোকানপাট করবে, চাইলে কোনো ভালো প্রতিষ্ঠানকে দানও করতে পারে। আবার কখনও যদি আওয়ামী লীগ ফেরে তাদেরও দান করতে পারে।
৫ আগস্টের পর থেকে ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকলেও হঠাৎ করে মালিকানা দাবি করে সাইনবোর্ড দেওয়ায় স্থানীয় মহলে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।