আজ বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর হামলা, আহত ১২

editor
প্রকাশিত আগস্ট ২৬, ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ণ
পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর হামলা, আহত ১২

Manual1 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual5 Ad Code

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে জাহাজের মালামাল বোঝাই ও খালাসের কাজে সরকার নিবন্ধিত পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যদের অন্তর্ভুক্তির দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।

Manual3 Ad Code

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) হামলার ঘটনা ঘটে। শ্রমিকদের অভিযোগ, দাবিতে আন্দোলন করার সময় তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে কয়েকজন শ্রমিক আহত হয়েছেন। হামলার পর এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

এ ঘটনায় ইউনিয়নের অন্তত ১২ সদস্য আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে রেজাউল প্যাদা (৪০), হীরন প্যাদা (৩৫), ইমাম প্যাদা (৩০), খোকন (২৫) ও হাসান (২০) গুরুতর আহত হওয়ায় তাদের কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটি সংলগ্ন বটতলা বাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

Manual5 Ad Code

আন্দোলনরত শ্রমিকরা জানান, মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জাহাজের মালামাল বোঝাই ও খালাস কার্যক্রমে সরকার নিবন্ধিত পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। দীর্ঘ সময় ধরে তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে দাবি আদায়ের পক্ষে স্লোগান দেন। পরে বিকেল ৩টার দিকে কলাপাড়া থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় শ্রমিকরা সাময়িকভাবে আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করেন। তবে আন্দোলনরত কয়েকজন শ্রমিক বটতলা বাজার এলাকায় অবস্থান করছিলেন। বিকেল ৫টার দিকে ধানখালী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি তপন মৃধার নেতৃত্বে ৭ থেকে ৮ জনের একটি দল লাঠিসোটা নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় শ্রমিকদের এলোপাতাড়ি মারধর করা হলে অন্তত ১২ জন আহত হন। হামলার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে যান।

Manual2 Ad Code

আহত শ্রমিকদের অভিযোগ, তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করার পরও কেন তাদের ওপর হামলা করা হলো, তা তারা বুঝতে পারছেন না। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে ধানখালী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি তপন মৃধা বলেন, ঘটনাস্থলে প্রশাসনের লোকজন ছিল। তারা যদি বলে আমি মারধরের সঙ্গে জড়িত ছিলাম, তাহলে আমি অপরাধী। মারধরের পর ঘটনা শুনে আমি সেখানে গিয়েছি। কারা কারা মারামারি করেছে, তা আমি জানি না।

কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সুএঃ ঢাকা পোস্ট