মৌলভীবাজার সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের স্থিতাবস্থা (Status-quo) অমান্য করে বাজারের টোল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে ১২ নং গিয়াসনগর ইউনিয়ন ভুমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা মিণাল কান্তি দেব এর উপর। এব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে ইজারা না দেওয়ার ও টোল আদায় বন্ধের জন্য লিখিত আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী উজ্জল হোসেন।
জানাযায়, নিতেশ্বর,গিয়াসনগর এলাকার আব্দুর রহমান তার পুত্র উজ্জল হোসেন, মেয়ে ও স্ত্রী মৌলভীবাজার সদর উপজেলার প্রেমনগর চা বাগান (সাবেক মৌজা) নিতেশ্বর, জে এল নং- ১৭৬. এস,এ খতিয়ান নং- ০৩ এস.এ দাগ নং- ৪০, আর,এস খতিয়ান নং- ০১, আর, এস দাগ নং- ৫০, ৫১, ৫২,৫৩, ৫৪ ৫৫ পরিমান . ৭৯ একর, ভূমিতে মৌরসী সূত্রে মালিক স্বত্ববান দখলকার ছিলেন। এ অবস্থায় তপশীল বর্ণিত ভূমি সরকারের পক্ষে উপজেলা প্রশাসন বাজার হিসাবে ইজারা দিয়ে আসছেন। এব্যাপারে উজ্জল হোসেন স্বত্ব ঘোষনার দাবীতে প্রেমনগর চা-বাগান ১ নং বিবাদী ও বাংলাদেশ সরকার পক্ষে জেলা প্রশাসক মৌলভীবাজার ২ নং বিবাদী হিসাবে সিনিয়র সিভিল জজ আদালত, সদর, মৌলভীবাজার এ ১৭৭/২০০৮ ইং নং স্বত্ব মোকদ্দমা (বর্তমান ২০১/২০২৬ ইং) দায়ের করেন। ১ নং বিবাধী মামলা প্রতিদ্বন্ধিতা না করে তাদের স্বত্ত নাই বলে আদালতে জবাব দাখিল করেন। ২ নং বিবদী বাংলাদেশ সরকার পক্ষে জেলা প্রশাসক মৌলভীবাজার প্রতিদ্বন্ধিতা করে আসছেন।
Manual8 Ad Code
আদালত ২ নং বিবাদীর প্রতি অত্র মোকদ্দমা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নালিশা ভূমি সম্পর্কে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ প্রদান করেন। উপরোক্ত ভূমির এস,এ ও আর,এস জরিপী রেকর্ড আব্দুর রহমানের পুত্র উজ্জল হোসেন, বোন ও স্ত্রীর নামে প্রস্তুত না হওয়ায় সুযোগে একটি পক্ষ তপশীল বর্ণিত ভূমি বাজার হিসাবে ইজারা বন্দোবস্ত নেওয়ার ষড়যন্ত্র ও পায়তারায় লিপ্ত রয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয় হইতে তপশীল বর্ণিত ভূমি সম্পর্কে হাট বাজার উল্লেখ করে ইজারা প্রদানের জন্য দরপত্র বিজ্ঞপ্তি আহবান করেন। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌলভীবাজার সদরের নিকট লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন উজ্জল হোসেন।
১২ নং গিয়াসনগর ইউনিয়ন ভুমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা মিণাল কান্তি দেব বলেন, নিত্বেশ্বর বাজার নিয়ে মামলা বা স্থিতাবস্থার কোন নির্দেশ পাইনি। এই কারনে সরকারের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে টোল আদায় করা হচ্ছে।
Manual6 Ad Code
এব্যাপারে মৌলভীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রাজিব হোসেন বলেন, নিতেশ্বর বাজার ইজারা বিজ্ঞপ্তি যখন প্রকাশ করা হয়, সে সময় আদালতে কোন মামলা ছিলনা। তাই ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। অদ্য ১৫ এপ্রিল উজ্জল হোসেনের আবেদন সহ স্থিতাবস্তার একটি ফটো কপি হাতে পেয়েছি। যাচাই বাচাই করে বিজ্ঞ আদালতের আদেশ মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।