আজ মঙ্গলবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংরক্ষিত আসন; বিএনপির মনোনয়ন পেলেন সংখ্যালঘু ৪ নারী

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ২১, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
সংরক্ষিত আসন; বিএনপির মনোনয়ন পেলেন সংখ্যালঘু ৪ নারী

Manual3 Ad Code

বাঁ থেকে আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার ঠাকুর, নিপুণ রায় চৌধুরী ও মাধবী মারমা। ছবি: সংগৃহীত

Manual4 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

Manual3 Ad Code

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে একাধিক প্রার্থীকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

সোমবার (২০ এপ্রিল) নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ে নারী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের চারজন হলেন— নিপুণ রায় চৌধুরী, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার ও মাধবী মারমা।

বিএনপির মনোনয়নে ব্যতিক্রমধর্মী ও সামাজিক প্রতিনিধিত্বও গুরুত্ব পেয়েছে। এর মধ্যে উন্নয়নকর্মী ও আদিবাসী ওঁরাও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি আন্না মিনজ উল্লেখযোগ্য। তিনি উন্নয়নকর্মী ও আদিবাসী ওঁরাও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। আন্না মিনজ ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র ডিরেক্টর (প্রোগ্রাম)। নাটোরের বাসিন্দা আন্না মিনজ সুবিধাবঞ্চিত সংখ্যালঘু খ্রিষ্টান সম্প্রদায়সহ ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করবেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। তার স্বামী জন গোমেজ বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ধর্মবিষয়ক সহসম্পাদক।

Manual6 Ad Code

সংরক্ষিত আসনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে সুবর্ণা সিকদার ঠাকুর ও মাধবী মারমাও মনোনয়ন পেয়েছেন। এর মধ্যে সুবর্ণা সিকদার গোপালগঞ্জ ও মাধবী মারমা বান্দরবান থেকে। সুবর্ণা সিকদার মথুয়া বহুজন সমাজ ঐক্যজোটের প্রধান উপদেষ্টা। তিনি একজন শিক্ষক। সুবর্ণা সিকদার সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন পাওয়ার খবর প্রকাশ হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে নানা রকম তথ্য আসছে। এর মধ্যে তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের কমিটিতে রয়েছেন বলে আলোচনা চলছে।

তবে সুবর্ণা সিকদার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি বিএনপির একজন সমর্থক। কোনো কমিটিতে নেই।’ তার স্বামী পদ্মনাভ ঠাকুর একসময় যুবদলের নেতা ছিলেন।

এ ছাড়া মাধবী মারমা বান্দরবান জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ও মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক।

দলটির শীর্ষ নেতারা বলছেন, সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ গড়তেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চূড়ান্ত মনোনয়নপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন— সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আর আক্তার, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।

Manual7 Ad Code