বিএনপি-জামায়াতের দুর্বলতায় লীগ ফিরলে বিপদ শুধু ফ্যাসিবাদবিরোধীদের : মাহফুজ আলম
বিএনপি-জামায়াতের দুর্বলতায় লীগ ফিরলে বিপদ শুধু ফ্যাসিবাদবিরোধীদের : মাহফুজ আলম
editor
প্রকাশিত জুন ১, ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ণ
Manual8 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual5 Ad Code
আওয়ামী লীগ প্রশ্নে বিএনপি ও জামায়াত দুই দলই ইনসিকিউরিটিতে ভুগছে বলে মনে করছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। তার আশংকা, আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় থেকে ‘বহুদলীয় গণতন্ত্র’ করে নেবে আর জামায়াত চুপ মেরে গুপ্ত হয়ে যাবে।
Manual4 Ad Code
এতে আসল বিপদে পড়বে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো তরুণরা। সোমবার (১ জুন) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
Manual1 Ad Code
পোস্টে তিনি লেখেন, “লীগ প্রশ্নে এখন যা চলছে, তা হচ্ছে দুই বড় দলের ইনসিকিউরিটি। কৌন বনেগা লীগকা বাপ? ’৮৬ আর ’৯৬-এর স্মৃতি বিএনপি ভুলতে পারছে না আর জামায়াত আছে আদর্শিক শত্রুতা/সহিংসতার ভয়ে, যা বিএনপি-লীগের ’৯০ দশকের যৌথ আক্রমণের স্মৃতি থেকে উৎসারিত।
স্মৃতি ভয়ের উৎস বটে! আগামীতে বিএনপি (আল্লাহ না করুক) ক্ষমতায় থেকে ‘বহুদলীয় গণতন্ত্র’ করে নেবে আর জামায়াত চুপ মেরে গুপ্ত হয়ে যাবে। আসল বিপদ এ প্রজন্মের যারা লীগের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়েছেন, তাদের। সে বিপদ আরো ত্বরান্বিত হয়েছে জামায়াত জোটে যাওয়ায়। নগদ যা লাভ হয়েছিল, সেটাকেও বড় করার কোনো চিহ্ন দেখা গেল না।
মাহফুজ আলম লেখেন, ‘দুঃখজনক হলো,এ প্রজন্ম ব্যস্ত নিজেদের হাতের তালুর চেয়ে ছোট রুটি ভাগাভাগিতে। রুটিটা বড় করেন। আপনাদের তাকদ আছে এ জাতিকে, গ্লোবাল সাউথকে লিড দেওয়ার। সেইটা করেন। যার যার পার্টি, দোকান, ফেরকা, তরিকা থেকে সংগঠিত হোন।
প্রতিষ্ঠান গড়ুন। সচ্ছল হোন। রাজনীতিতে নয় শুধু, সমাজেও প্রভাব তৈরি করুন। দীর্ঘমেয়াদি লড়াই ও সংহতির পাটাতন গড়ে তুলুন। বড়দের আস্কারা-উসকানিতে অনেক শক্তিক্ষয় হয়েছে। বড়রা হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে এ প্রজন্মকে। সঙ্গে ছোটদের কোরাম আর মতাদর্শভিত্তিক একপক্ষীয় বয়ান ও সক্রিয় ছিল, আছে। এভাবেই খেয়ে ফেলা হয় তরুণদের। সেটা ’৭০ এর দশকে, ’৯০-এর দশকেও ঘটেছে।’
Manual7 Ad Code
তিনি আরো লেখেন, ‘লড়াইটা প্রজন্মের। আগের প্রজন্ম আপনাদের বাঁচাবে না। সিম্পল কথা। এটা খেয়াল রেখে কৌশল নির্ধারণ করুন। যার যার ইমাম, খতিব, ফেরকা, তরিকা বানান, সমস্যা নাই। নিজেদের মধ্যে ব্যক্তি আক্রমণ আর বিদ্বেষচর্চা বন্ধ করেন। মতাদর্শের তর্ক তো হবেই, হোক। কিন্তু কিবলা রাখেন জুলাই আর অ্যান্টি-ফ্যাসিজম। পুনশ্চঃ আমরা ফ্যাসিস্ট লীগ তাড়াইছি নিশ্চিত মৃত্যু জেনে। সেই সাহসের সঙ্গে এখন সাংগঠনিক শক্তি আর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা যুক্ত করেন। ফ্যাসিবাদ কোনো ফর্মেই আর ফিরতে পারবে না।’সুএ: কালের কন্ঠ