আজ রবিবার, ১৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টায়; অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

editor
প্রকাশিত জুলাই ৩, ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ণ
সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টায়; অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

Manual5 Ad Code

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

Manual7 Ad Code

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার প্রথম শ্রেণীতে পড়ুয়া সাত বছর বয়সী এক শিশুকে দোকানঘরের ভেতর জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত অভিযুক্ত চাঁন মিয়াকে (৬৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বর্তমানে নির্যাতিত শিশুটি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বৃহস্পতিবার শিশুর পিতা বাদী হয়ে কমলগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা যায়।

পুলিশ সূত্রের বরাতে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২রা জুলাই) উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মইদাইল গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। শিশুটি উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের মানিক মিয়ার মেয়ে।

Manual3 Ad Code

অভিযুক্ত পরিবার ও স্থানীয় সুত্রের বরাতে জানা যায়, একই গ্রামের রশিদ মিয়ার দোকানের কর্মচারী চাঁন মিয়া দোকানের ভেতরে ডেকে নিয়ে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর পরই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং অভিযুক্ত চাঁন মিয়া কৌশলে এলাকা থেকে পালিয়ে যান। ঘটনাটি সাথে সাথে পুলিশকে জানালে কমলগঞ্জ থানার এসআই মোহাম্মদ আমির উদ্দিন, এস আই মিঠু রায় ও এএসআই হামিদুর রহমানের তাৎক্ষণিক তৎপরতা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এবং গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার রাতের ১০টার দিকে চাঁন মিয়াকে উপজেলার মুন্সিবাজার থেকে আটক করা হয়।

Manual2 Ad Code

এদিকে, ঘটনার পর সাথে সাথে শিশুটিকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

Manual4 Ad Code

শিশুর পিতা মানিক মিয়া জানান, আমার মেয়েরটা প্রথম শ্রেণীতে পড়াশোনা করে। আমার মেয়েটার সাথে যা হয়েছে আমি তার বিচার চাই। এমন বিচার চাই, যাতে এটা দেখে কেউ আর সাহস যেন না পায় এমন জঘন্য কাজ করার। তিনি বলেন, আমি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কমর উদ্দিন জানান, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। ঘটনার পরপরই আমাদের একটি দল অভিযানে নামে এবং রাতের ১০টার দিকে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। যথাযত প্রক্রিয়ায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ভুক্তভোগী শিশুর চিকিৎসার খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।’