আজ মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাঘায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত’

editor
প্রকাশিত জুলাই ৭, ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
বাঘায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত’

Manual1 Ad Code
দোয়েল, বাঘা,(রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
“গ্রামের উন্নয়ন হলেই দেশের উন্নয়ন হবে” – জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের আলোচনা সভায় এমন মন্তব্য করেছেন রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য  আবু সাঈদ চাঁদ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চান। সবার সহযোগিতা পেলে আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের সার্বিক চেহারা পাল্টে যাবে।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় “উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যে সামনে নিয়ে,উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড, বাঘা এর আয়োজনে র্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি আবু সাঈদ চাঁদ আরো বলেন, “বিগত সরকারের কার্যক্রম দেখেছেন, বর্তমান সরকারের কার্যক্রম দেখছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে সমবায় সমিতির মাধ্যমে পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচির উপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। তিস্তা ব্যারেজ পরিকল্পনাও তিনি হাতে নিয়েছেন।”
তিনি আরও বলেন, “খাল খনন ও সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ উন্নয়নে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। একই সাথে সমবায় সমিতি ও বেকারত্ব দূরীকরণে তিনি যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয় স্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরাও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়বো।”
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মী আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা খোরশেদ আলম। সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের অফিসার মনসুর আলী। কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ মাওলানা আবুল কালাম।
সভায়, ওসি (তদন্ত) সুপ্রভাত মন্ডল,উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখরুল হাসান বাবলু, সদস্য সচিব আশরাফ আলী মলিন। বাঘা পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক তফিকুল ইসলাম তফি, বিআরডিবি চেয়ারম্যান এনামুল হক  সহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ এবং পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হয়।
এর আগে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে উপজেলার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালিতে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়রা অংশ নেন।