আজ রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৮ দিনে শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে প্রায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার টাকা

editor
প্রকাশিত জুলাই ১২, ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ
১৮ দিনে শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে প্রায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার টাকা

Manual5 Ad Code

উৎফল বড়ুয়া, সিলেট

গণমাধ্যম ও সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে অর্থ-সম্পদ গণনা, জেলা প্রশাসকের ব্যাংক হিসাবে জমার ঘোষণা।

সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর পবিত্র মাজারের দানবাক্সে ১৮ দিনে জমা হওয়া অর্থ ও অন্যান্য মূল্যবান সম্পদ গণনা সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে সকাল থেকে স্বচ্ছতার সঙ্গে দানবাক্স খুলে অর্থ ও সম্পদ গণনা করা হয়।

গণনা শেষে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, দানবাক্স থেকে বাংলাদেশি মুদ্রায় মোট ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়া বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণ ও রৌপ্যও পাওয়া যায়।

তিনি বলেন, গণনা করা সব অর্থ জেলা প্রশাসকের নামে খোলা ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হবে।

Manual1 Ad Code

কিমিটির ওপর আস্থা সিলেটবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে সিসিক প্রশাসক বলেন, হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজার, দরগাহ মসজিদ ও মাদ্রাসার পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গঠিত কমিটির পরবর্তী সভা আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভার সিদ্ধান্তের আলোকে এক মাসের মধ্যে আমরা এসব প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় একটা নীতিমালা চূড়ান্ত করব।

Manual6 Ad Code

গণনায় পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার মধ্যে রয়েছে সৌদি আরবের ১৩৫ রিয়াল, যুক্তরাষ্ট্রের ২০ ডলার, ভারতের ২ হাজার ৫৩২ রুপি, কাতারের ২২ দিরহাম, মালয়েশিয়ার ৬ রিঙ্গিত, হংকংয়ের ২০ ডলার, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২০ ইউরো, ওমানের ১ দশমিক ৪৫০ দিনার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৫৪ দশমিক ২০ দিরহাম, ইন্দোনেশিয়ার ৪ হাজার রুপিয়া, পাকিস্তানের ৬০ রুপি এবং সিঙ্গাপুরের ১০ ডলার।

Manual5 Ad Code

এছাড়া দানবাক্সে ৯ গ্রাম স্বর্ণ, ১০ গ্রাম স্বর্ণ সদৃশ বস্তু এবং ৩৯ দশমিক ৪ গ্রাম রৌপ্য পাওয়া গেছে।

এছাড়া একটি গরু, ছাগল ৬৫টি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে গরু ও ৪০টি রান্না করে খাওয়ানো হয়েছে। ২৫টি ছাগল বিক্রি করা হয়েছে, যার বিক্রয়মূল্য ১ লাখ ১৫ হাজার ৪০৩ টাকা।

Manual8 Ad Code

উল্লেখ্য, সর্বশেষ গণনার দিন থেকে এ পর্যন্ত ১৮ দিনের দান এ দানবাক্সে জমা হয়েছিল। গণনা কার্যক্রমে সিলেট উন্নয়ন কতৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা সহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, মাজার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।