নাগরপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যুব বিভাগ, টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ইউনিয়ন যুব প্রতিনিধি সম্মেলনে নাগরপুর উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন যুব বিভাগের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেছেন। এতে নেতৃত্ব দেন টাঙ্গাইল জেলা যুব বিভাগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও নাগরপুর উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি ডা. এম. এ. মান্নান।
এ সময় উপজেলা যুব বিভাগের সেক্রেটারি কাজী আদনান রুসেল, অর্থ সম্পাদক মো. মহিদুল ইসলাম এবং অফিস ও মিডিয়া সম্পাদক আব্দুস সবুরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যুব বিভাগের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মো. বোরহানুল ইসলাম।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যুব বিভাগের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের আমির আহছান হাবিব মাসুদ এবং ইফসুর মহাসচিব ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। সম্মেলনটি পরিচালনা করেন জেলা যুব বিভাগের সেক্রেটারি মো. সুরুজ্জামান।
সম্মেলনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে নাগরপুর উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি ডা. এম. এ. মান্নান বলেন, “টাঙ্গাইল জেলা যুব বিভাগের ইউনিয়ন যুব প্রতিনিধি সম্মেলনে নাগরপুর উপজেলা ও ১২টি ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এ ধরনের সম্মেলন সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা বিনিময়, পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যুবকদের নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই। সম্মেলন থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা নাগরপুরের ইউনিয়ন পর্যায়ের সাংগঠনিক কার্যক্রমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশাবাদী।
উল্লেখ্য, ইউনিয়ন যুব প্রতিনিধি সম্মেলনে টাঙ্গাইল জেলার সব ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি, সেক্রেটারি, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের যুব নেতারা অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করা এবং যুবকদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সম্মেলন শেষে ২০২৬ সালের ২৮ অক্টোবরে লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবীতে বাদ আস টাঙ্গাইল শহীদ মিনারে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রধান প্রধান সড়কে বিক্ষোভ মিছিল হয়।