শ্রমিক আন্দোলনের মুখে ৬৯০ পোশাক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ
শ্রমিক আন্দোলনের মুখে ৬৯০ পোশাক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ
editor
প্রকাশিত November 2, 2026, 06:52 PM
Manual2 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual6 Ad Code
বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে জানান, বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত শ্রমিকরা কাজে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় সংগঠনটির ৬৭০টি সদস্য কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত করতে হয়। এসব কারখানায় প্রায় ১৬ লাখ ৮০ হাজার শ্রমিক কাজ করেন।
Manual7 Ad Code
মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, কাজে যোগদানে অস্বীকৃতি এবং মালিকদের ওপর হামলার আশঙ্কায় সোমবার (২ নভেম্বর) দেশের অন্তত ৬৯০টি তৈরি পোশাক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। দেশের পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের দুটি প্রধান সংগঠন এ তথ্য জানিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, উৎপাদন বন্ধ হওয়া এসব কারখানায় ১৭ লাখেরও বেশি শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন।
বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে জানান, বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত শ্রমিকরা কাজে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় সংগঠনটির ৬৭০টি সদস্য কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত করতে হয়। এসব কারখানায় প্রায় ১৬ লাখ ৮০ হাজার শ্রমিক কাজ করেন।
এদিকে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) তথ্য অনুযায়ী, শ্রমিক অসন্তোষের কারণে নারায়ণগঞ্জের আরও প্রায় ২০টি কারখানায় উৎপাদন বন্ধ ছিল। এসব কারখানায় ৫০ হাজারের বেশি শ্রমিক কর্মরত আছেন।
Manual3 Ad Code
বিজিএমইএ-এর তথ্যে উল্লেখ করা হয়, সবচেয়ে বেশি কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গাজীপুর ও ময়মনসিংহ এলাকায়। সেখানে শ্রমিকরা কাজে যোগ না দেওয়ায় অথবা হামলার আশঙ্কায় ৩8২টি কারখানা সোমবার বন্ধ রাখা হয়। এসব কারখানায় প্রায় ৯ লাখ শ্রমিক কাজ করেন।
এ ছাড়া সাভারের আশুলিয়া ও জিরাবো এলাকার ২২৩টি, ঢাকার মিরপুর এলাকার ৬৫টি এবং নারায়ণগঞ্জের প্রায় ২০টি কারখানায় উৎপাদন বন্ধ ছিল।
বিকেএমইএ-এর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান টিবিএসকে বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জ এলাকার তুলনামূলক বড় কারখানাগুলোতে উৎপাদন স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছেন মালিকরা।’