আজ , ,

শ্রমিক আন্দোলনে বন্ধ ৫২৯ কারখানা, কর্মস্থল ছেড়েছেন লাখো শ্রমিক

editor
প্রকাশিত November 1, 2026, 11:58 PM
শ্রমিক আন্দোলনে বন্ধ ৫২৯ কারখানা, কর্মস্থল ছেড়েছেন লাখো শ্রমিক

Manual1 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে ঢাকা, গাজীপুর ও আশুলিয়ার ৫২৯টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েক লাখ শ্রমিক কাজ না করে কর্মস্থল ছেড়ে বেরিয়ে গেছেন।

রোববার (১ নভেম্বর) বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

Manual6 Ad Code

বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, পাঁচটি শিল্পাঞ্চলে মোট কারখানার সংখ্যা ২ হাজার ১৩৪টি। এর মধ্যে ১ হাজার ৮১৬টি কারখানা চালু রয়েছে। শ্রম অসন্তোষের কারণে বন্ধ রয়েছে ৩১৮টি কারখানা।

এলাকাভিত্তিক হিসাবে, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এলাকায় মোট ৩২০টি কারখানার মধ্যে মিরপুরে বন্ধ রয়েছে ৬৮টি। এসব কারখানা থেকে কাজ না করে বেরিয়ে গেছেন ৫১ হাজার ৬২৫ জন শ্রমিক।

Manual8 Ad Code

গাজীপুর ও ময়মনসিংহ এলাকার ৮৩৬টি কারখানার মধ্যে বন্ধ রয়েছে ২২৫টি। এ দুই এলাকায় কাজ না করে কারখানা ছেড়েছেন ৫ লাখ ২৫ হাজার ৩৬০ জন শ্রমিক।

অন্যদিকে সাভার-আশুলিয়া ও জিরানী এলাকার ৪৪১টি কারখানার মধ্যে বন্ধ রয়েছে ২৫টি। এসব এলাকায় কর্মস্থল ছেড়ে বেরিয়ে গেছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৭০ জন শ্রমিক।

Manual5 Ad Code

এর আগে রোববার সকাল থেকেই ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে ঢাকা, গাজীপুর ও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেন পোশাকশ্রমিকেরা। তারা বিভিন্ন প্রধান সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করেন।

Manual5 Ad Code

আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় বর্তমান বেতনে পরিবার নিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া কারখানায় নিয়োগের ক্ষেত্রে নারী শ্রমিকদের প্রাধান্য দেওয়ায় পুরুষ শ্রমিকেরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন তারা। এসব কারণে ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন বলে জানান শ্রমিকেরা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি যৌথ বাহিনী মাঠে রয়েছে। গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন জানান, শ্রমিক আন্দোলনের কারণে জেলা ও মহানগরের প্রায় ১০০টি কারখানায় রোববারের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ, মহানগর পুলিশ, শিল্প পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সমন্বয়ে গঠিত যৌথ দল কাজ করছে।