আজ সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

না ফেরার দেশে চলে গেলেন বরেণ্য সঙ্গীত শিল্পী সুষমা দাস

editor
প্রকাশিত মার্চ ২৬, ২০২৫, ০৭:৪৪ অপরাহ্ণ
না ফেরার দেশে চলে গেলেন  বরেণ্য সঙ্গীত শিল্পী সুষমা দাস

Manual6 Ad Code
উৎফল বড়ুয়া, সিলেট:

না ফেরার দেশে চলে গেলেন একুশে পদক প্রাপ্ত বরেণ্য সঙ্গীত শিল্পী বাংলা লোকগানের কিংবদন্তী সুষমা দাস। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর। পরিবারে তার চার ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

Manual4 Ad Code

বুধবার (২৬ই মার্চ) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে নিজ বাস ভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সুষমা দাসের পরিবার এতথ্য নিশ্চিত করেছে।

Manual8 Ad Code

সুষমা দাস ১ মে ১৯৩০ সালে সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা থানার পুটকা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা রসিক লাল দাস, মাতা দিব্যময়ী দাস। বঙ্গাব্দ ১৩৫২ সালে শাল্লা থানার চাকুয়া গ্রামে প্রাণনাথ দাসের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

বিয়ের পর তিনি গ্রামীণ মেয়েলি আসরে ধামাইল, কবিগান ও বাউল গানের পাশাপাশি হরি জাগরণের গান, গোপিনী কীর্তন, বিয়ের গানসহ ভাটি অঞ্চলে প্রচলিত লোকজ ধারার সকল অঙ্গনের গান গেয়ে এলাকায় একজন নন্দিত শিল্পী হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।

এছাড়াও গুষট, বাল্যলিলা, রাখালবনের খেলা, বকবধ, কালিদয়, মুক্তালতাবলী, সুবলমিলন ইত্যাদি বিভিন্ন সময় পরিবেশন করেন তিনি।

Manual7 Ad Code

সুষমা দাসের লোকগান সংগ্রহের ছিল এক বিরাট অবদান। নৌকার মাঝি, পথেঘাটে যখনই কোনো গান শুনে ভালো লাগত, তা সংগ্রহ করা ছিল তার আরেকটি মহৎ গুণ। যা নেশার মতো কাজ করতো। এভাবে তিনি প্রায় চারশ লোক কবির গান সংগ্রহ করেন।

Manual3 Ad Code

লোকসংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ৫ জুন ২০১৬ সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমি হতে গুণীজন সম্মাননা-২০১৫ লাভ করেন।

শিল্পকলায় (সংগীত) বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৭ সালে ৯০ বছর বয়সে একুশে পদক লাভ করেন তিনি।