বিএনপি ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে, আহত ৭
বিএনপি ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে, আহত ৭
editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ণ
Manual4 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
নড়াইল সদরে নির্বাচনী বিরোধ ও স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ধানের শীষ ও বিদ্রোহী কলস প্রতীকের পরাজিত দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
Manual5 Ad Code
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ও সন্ধ্যায় সদরের হবখালী ইউনিয়নের বাগডাঙ্গা এলাকায় দুই দফা এই সংঘর্ষে ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতিসহ অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিরা বর্তমানে নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলা বিএনপির সাবেক নেতা রিয়াজুল ইসলাম টিংকু এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সৈয়দ আতিয়ার রহমান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে টিংকু গ্রুপ ধানের শীষের প্রার্থী এ জেড এম ফরিদুজ্জামানের পক্ষে কাজ করে।
Manual5 Ad Code
অন্যদিকে আতিয়ার রহমানের সমর্থকরা বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনিরুল ইসলামের কলস প্রতীকের পক্ষে অবস্থান নেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে উভয় প্রার্থী পরাজিত হওয়ার পর এই বিরোধ চরমে ওঠে।
Manual5 Ad Code
সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বাগডাঙ্গা বাজারে প্রথম দফা সংঘর্ষে টিংকু গ্রুপের আশরাফুল শেখ (৩০) গুরুতর আহত হন। পরবর্তী সময়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দ্বিতীয় দফা হামলায় আতিয়ার রহমান ও তার পক্ষের পাঁচজন আহত হন।আহতরা হলেন: সৈয়দ আতিয়ার রহমান (ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি), আইয়ুব আলী (৫০), আতিয়ার রহমান (৫২), শওকত আলম ওরফে রেন্টু (৬৫), খিজির হোসেন (৪৮), মাহিন আলী (২৬) ও আশরাফুল শেখ (৩০)।নড়াইল সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শরীফ মো. হাসান ফেরদৌস আহতদের ভর্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আহত আশরাফুল শেখের অভিযোগ, নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করায় আতিয়ারের নেতৃত্বে তার ওপর হামলা চালানো হয়। অন্যদিকে ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি সৈয়দ আতিয়ার রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘হামলাকারীরা মূলত আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তারা চায় না নির্বাচনের পর এলাকায় বিএনপির লোকজন থাকুক। বাজারে আমার ওষুধের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।’
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলি মিয়া জানান, স্থানীয় আধিপত্য ও নির্বাচনী বিরোধ থেকেই এই সংঘর্ষের সূত্রপাত। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিবেশ শান্ত আছে।