চট্টগ্রাম সিটি কলেজে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ, ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
চট্টগ্রাম সিটি কলেজে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ, ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
editor
প্রকাশিত এপ্রিল ২১, ২০২৬, ০৫:৫২ অপরাহ্ণ
Manual8 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতিতে কলেজের ক্লাস ও পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করা হয়। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষ এবং মাস্টার্স কোর্সের পরীক্ষা চলমান আছে বলে জানায় কলেজ কর্তৃপক্ষ।
Manual1 Ad Code
মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে উত্তেজনা শুরু হয়। দুপুর ১২টার দিকে উভয়পক্ষ মুখোমুখি হয়ে পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিতে থাকে এবং ঘণ্টাখানেক তাদের মধ্যে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে।
Manual3 Ad Code
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ পৌঁছে। পরবর্তীতে পুলিশ ও কলেজ শিক্ষকদের হস্তক্ষেপে কলেজ ক্যাম্পাস এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কলেজ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে জুলাই-আগস্টের গ্রাফিতিতে নিচে লেখা ছিল ছাত্র রাজনীতি ও ছাত্রলীগ মুক্ত ক্যাম্পাস। পরবর্তীতে কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী গিয়ে সেখানে ছাত্র শব্দটি মুছে দেয় এবং তারপর ওপর লিখে দেয় গুপ্ত। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যক্তিগত আইডিতে প্রচার করেন আল মামুন। বিষয়টি নিয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা চলে আসছিল। একপর্যায়ে মঙ্গলবার কলেজ ক্যাম্পাসে সংঘর্ষে জড়ায় উভয়পক্ষের নেতাকর্মীরা।
Manual2 Ad Code
এ বিষয়ে সিটি কলেজের একজন শিক্ষক ঢাকা পোস্টকে বলেন, শিক্ষার্থীদের আমরা বুঝিয়েছি, মারামারির কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা বন্ধ হলে কলেজের সুনাম ক্ষুণ্ন হবে। তারা বুঝতে পেরে নিজেরাই চলে গেছেন। তবে ১২টার পর থেকে এবং বিকেলের শিফটে কলেজের অভ্যন্তরীণ ক্লাস এবং পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
হামলার বিষয়ে কলেজ ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ জানান, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রদল কর্তৃক হামলা হয়েছে। আদর্শিকভাবে দেউলিয়া ছাত্রদল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আদর্শিক লড়াইয়ের পরিবর্তে ক্ষমতার অপব্যবহার করছে।
Manual2 Ad Code
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফতাব উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সরকারি সিটি কলেজের অধ্যক্ষ আবু সালেহ মোহাম্মদ নঈম উদ্দিন বলেন, দুই পক্ষের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে শিক্ষকরা নিয়ন্ত্রণ আনতে চেষ্টা করছিল। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তথ্য সুএঃ ঢাকা পোস্ট