সদ্য বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার সরকারের উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে স্বচ্ছ তদন্ত ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি অ্যাড. মহসিন রশিদ।
তিনি বলেন, ড. ইউনূস ও তার সহযোগীরা দেশটাকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে ৪০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েনি। ৬০ শতাংশ ভোট পড়ার যে হিসেব দেখানো হচ্ছে, তা সঠিক নয়।
সম্প্রতি ‘মানচিত্র’ নামের ইউটিউব চ্যানেলে সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নার সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
মহসিন রশিদ বলেন, এই লোকগুলো যেন দেশের বাইরে কোনোভাবেই না যেতে পারে। ইউনূস, আসিফ নজরুল দেশটাকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হতে হবে এবং স্বচ্ছ জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
ইউনূস সাহেব নিজে যা করেছেন, তা সবাই জানে। লামিয়া মোর্শেদ, তার জামাই এলএনজি নিয়ে কী করেছেন! রিজওয়ানা হাসান ও তার স্বামী, আসিফ নজরুল, লুৎফে সিদ্দিকী, আশিক চৌধুরী, শফিকুল আলম এদের সবার বিরুদ্ধে যেন একদম স্বচ্ছ তদন্ত হয় এবং তা জনগণকে জানিয়ে দিতে হবে। নোবেল, নোবেল বলে তিনি (ড. ইউনূস) কীভাবে দেশটাকে আগাগোড়া ধ্বংস করেছেন, তা তুলে ধরতে হবে।
তিনি বলেন, আমার ধারণা ৪০ শতাংশের ওপরে ভোট পড়েনি। কোনোভাবেই তা ৪০ শতাংশের ওপরে যায়নি। ৬০ শতাংশ তারা দেখাচ্ছে, এটা বুঝাতে যে ৫০ শতাংশের ওপরে জনগণ এসে ভোট দিয়েছে। যা আমার কাছে সঠিক মনে হয়নি।
Manual3 Ad Code
তিনি বলেন, বিএনপি এত বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় তাদের কাঁধে দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেল। বিশেষ করে ধ্বংসপ্রায় অর্থনীতি, ব্যাংকিং খাত ও শেয়ারবাজার ঠিক করা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ঢেলে সাজানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
চলমান গণভোট বা রেফারেন্ডাম প্রক্রিয়াকে ‘অবৈধ ও অসাংবিধানিক’ বলে আখ্যায়িত করেন মহসিন রশিদ। তিনি বলেন, গণভোটের কোনো প্রয়োজনই ছিল না। যেভাবে প্রশ্ন সাজানো হয়েছে তা অযৌক্তিক। তবে ফলাফল যা-ই হোক, বিএনপি যেহেতু দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে, তাই তারা এই গণভোটের ফলাফল মানতে বাধ্য নয়।
Manual8 Ad Code
তিনি আরো বলেন, ডিপ স্টেট চেয়েছিল গণভোটের মাধ্যমে বা অন্য কোনো উপায়ে কলকাঠি নাড়তে, কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়েছে। জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিএনপিকে ম্যান্ডেট দিয়েছে।
মহসিন রশিদ বলেন, ইউনূস সরকারের আর কোনো ‘ডিজাইন’ বা ষড়যন্ত্র কাজ করবে না। তিনি বলেন, জনগণ তাঁদের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করেছে।