আজ শনিবার, ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদায় বেলাতেও নিজের সুবিধার জন্য আইন পাল্টান ড. ইউনূস

editor
প্রকাশিত মার্চ ৩, ২০২৬, ০২:৩১ অপরাহ্ণ
বিদায় বেলাতেও নিজের সুবিধার জন্য আইন পাল্টান ড. ইউনূস

Manual1 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

দীর্ঘ ১৮ মাস ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় শুধু নিজের জন্য সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন। নিজের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহার করিয়েছেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে। সুদ মওকুফ করেছেন নিজের সব প্রতিষ্ঠানের। ক্ষমতায় বসে নিজের নামে নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়, রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স।

Manual8 Ad Code

বিদায়ের আগেও নিজের জন্য রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা নিতে ভোলেননি ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

Manual8 Ad Code

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিন আগে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস নিজেকে এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করেছেন। এর ফলে পরবর্তী এক বছর তিনি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) নিরাপত্তা-সুবিধা পাবেন।

তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব (বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত) মো. সাইফুল্লা পান্নার সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইনের ক্ষমতাবলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে তাঁর দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

এটা করতে গিয়েও সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অসততার আশ্রয় নিয়েছেন। ড. ইউনূস যে অধ‍্যাদেশটি অতি গোপনীয়তার সাথে করেছেন, তা ২০০৬ সালের ২৯ অক্টোবর এস. আরও নং ২৮৫ সংশোধন করে করা। ঐ আদেশে বলা হয়েছিল, ‘রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে স্ব স্ব পদে কর্মবসানের তারিখ হইতে এবং জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতাকে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ তিন মাস অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করিল। ’

Manual7 Ad Code

ড. ইউনূস এই আদেশের আলোকে শুধু তার নিজের জন্য নিজেকে এক বছরের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

কিন্তু বাকিদের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা বৃদ্ধি করেননি। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, কোন ব্যক্তির জন্য আইন পরিবর্তন বা প্রণয়ন করা যায় না। কাজেই ১০ ফেব্রুয়ারি অতি গোপনীয় ভাবে জারি করা অধ্যাদেশটি একদিকে যেমন সংবিধানের মৌলিক নীতির লঙ্ঘন। ফলে অসাংবিধানিক, ঠিক তেমনই এটি ড. ইউনূসের স্বার্থপরতার একটি উদাহরণ। কারণ তিনি যদি বিদায়ী রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং আগের আইনে বর্ণিত সকলের জন্য সময় বাড়াতেন, তাহলেও এর যৌক্তিকতা কিছুটা হলেও বোঝা যেত।

Manual1 Ad Code

কিন্তু শুধু নিজেকে আগামী এক বছরের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা, কেবল অনৈতিক নয়, সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

তথ্য সুএঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন