আজ রবিবার, ৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুলিশের চাকরিকে ব্যবসা বলা সেই ওসি প্রত্যাহার

editor
প্রকাশিত মে ৩১, ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ণ
পুলিশের চাকরিকে ব্যবসা বলা সেই ওসি প্রত্যাহার

Manual6 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual7 Ad Code

নেত্রকোনার কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হাশেমের পুলিশের কাজ নিয়ে বির্তক বক্তব্যের একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় সেই ওসি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

Manual3 Ad Code

রোববার (৩১ মে) ওসি আবুল হাশেমকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে পুলিশ।

Manual7 Ad Code

অডিও রেকর্ডে থানার পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে আবুল হাশেমকে বলতে শোনা যায়, ‘পুলিশের চাকরি ওয়ান কাইন্ড অব বিজনেস। আমরা কেউ কাউকে ঠকাব না। সবাই মিলেমিশে থাকব। ধরেন দুই হাজার টাকা আমি খরচ করলাম, এই টাকা তো আমার বাড়ির টাকা না, বেতনের টাকাও না। আপনারা একটা অভিযোগ দিলেন এক হাজার টাকা, আরেকটা খারিজ কইরা ফেললেন এক হাজার টাকা, ওইটা দিয়েই কিন্তু আমি পাড়ি দিয়া দিলাম। তাইলে আমার তো রিস্ক নাই, নো টেনশন, খুব রিলাক্সে আছি।’

ওই রেকর্ডে ওসিকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘পুলিশের যে চাকরিটা, এটা ওয়ান কাউন্ড অব বিজনেস। সবাই কিন্তু এই বিজনেসের সাথে জড়িত না। আমরা কিন্তু একজন আরেকজনরে সেইফে রাখছি। সবাই সমন্বয় করে চলতে হবে। ওসির মাথায় কিন্তু কাঁঠাল ভেঙে খাইতে পারবেন না। সর্বোপরি আমি আপনাদের ঠকাব না, আমি কি বাড়ি থেকে টাকা এনে খরচ করতাছি, না জমি বেইচ্যা আইন্যা আপনাদের চালাইতেছি। সবাই যেন ভালো থাকতে পারি। যার যে–ই অধিকার, সে যেন সেটা পায়। আমার যারা কনস্টেবল আছে তারা যেন যেটা পাওয়ার, সেটা পায়, তারা যেন বঞ্চিত না হয়। হক মারা আমি পছন্দ করি না। কারণ, যারা হক মারে, রাসুল তারে সাফায়েত করবে না। এটাই কিন্তু ফাইনাল কথা। কেউ চালাকি করবেন না। বর্তমান মিডিয়া অনেক এগিয়ে আছে।’

এ বিষয়ে ওসি মো. আবুল হাশেম দাবি করেছেন, অডিওতে থাকা কণ্ঠ তার নয়। কীভাবে এমন একটি রেকর্ড তার নামে প্রচার করা হচ্ছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন বলেও জানিয়েছেন।

জেলা পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘অডিওটি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে ওসি আবুল হাশেমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলামকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

Manual4 Ad Code