আজ মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই অবমাননা নাকি ভিন্নমত: কোথায় বাকস্বাধীনতার সীমারেখা

editor
প্রকাশিত জুলাই ৭, ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ
জুলাই অবমাননা নাকি ভিন্নমত: কোথায় বাকস্বাধীনতার সীমারেখা

Manual4 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

জুলাই আন্দোলন, শহীদ ও আহতদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক, টিভি উপস্থাপিকা, অভিনেত্রী, মডেল ও আইনজীবীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে রাজধানীর শাহবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্টরা জুলাই আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা, শহীদ ও আহতদের নিয়ে কটূক্তি, বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো এবং ‘নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলকে পুনর্বাসনের চেষ্টা’ করেছেন।

Manual6 Ad Code

তবে এসব অভিযোগ এখনও মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়নি। পুলিশ বলছে, অভিযোগে উল্লেখ করা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট, ভিডিও, লিংক ও বক্তব্য যাচাইয়ের পর আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, রাজনৈতিক বক্তব্যের জন্য মামলা হওয়ার কোনও সুযোগ নেই। গণতান্ত্রিক সমাজে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা একটি মৌলিক মানবাধিকার এবং সুস্থ গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি।

এদিকে পুলিশ সূত্র জানায়, অভিযোগে থাকা পোস্ট, ভিডিও, লিংক এবং বক্তব্যগুলো যাচাইয়ের জন্য এরই মঝ‍্যে সাইবার ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থাকা কোনও পোস্ট বাস্তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কিনা, সেটি সম্পাদিত বা বিকৃত কিনা এবং বক্তব্যের পুরো প্রেক্ষাপট কী ছিল—এসব বিষয়ও যাচাইয়ের প্রয়োজন হবে।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, অভিযোগ সাইবার সম্পর্কিত হওয়ায় বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ডিএমপির সাইবার ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। তারা তদন্ত করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।

রবিবার (৫ জুলাই) ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে সাংবাদিক ও কলামিস্ট আনিস আলমগীর, টিভি উপস্থাপিকা সোমা ইসলাম, আইনজীবী ও মডেল জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া ওরফে পিয়া জান্নাতুল, কলামিস্ট মোমিন মেহেদী, মডেল মারিয়া কিসপট্টা এবং অভিনেত্রী ও মডেল তুষ্টির বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। সংগঠনটির সদস্য মিল্লাত হোসেন অভিযোগটি দায়ের করেন। এর আগে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি এবং শান্তা ফারজানার বিরুদ্ধেও জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে উপহাস, স্মৃতিস্তম্ভ অবমাননা এবং বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগকারীদের মতে, অভিযুক্তরা বিভিন্ন সময় ফেসবুক পোস্ট, ভিডিও-বার্তা, টকশো, সাক্ষাৎকার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থান, আন্দোলনের অংশগ্রহণকারী, শহীদ এবং আহত ব্যক্তিদের নিয়ে আপত্তিকর, তাচ্ছিল্যমূলক ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা এবং আন্দোলনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগও আনা হয়েছে।

Manual3 Ad Code

অভিযোগে কার বিরুদ্ধে কী বলা হয়েছে

শাহবাগ থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে টিভি উপস্থাপিকা সোমা ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন টকশোতে জুলাই আন্দোলনকে ‘ছোট করে উপস্থাপন’ এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আইনজীবী ও মডেল জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া ওরফে পিয়া জান্নাতুলের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুলাই আন্দোলন ও আহত ব্যক্তিদের নিয়ে তাচ্ছিল্যমূলক বক্তব্য দেওয়া এবং আন্দোলনকারীদের ‘মব’ বলে উল্লেখ করার অভিযোগ করা হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি আহত জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে অবমাননাকর ভাষা ব্যবহার করেছেন।

কলামিস্ট মোমিন মেহেদীর বিরুদ্ধে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে জুতা নিক্ষেপ এবং শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে— তিনি জেলখানা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সংগঠনগুলোর সঙ্গে মিলে জুলাই আন্দোলনকে নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য ছড়াচ্ছেন। একইসঙ্গে জুলাই স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছেন এবং যারা জুলাই যুদ্ধে হাত-পা ও চোখ হারিয়েছেন, তাদেরকে অপমান করে এবং অপপ্রচার করছেন।

মডেল মারিয়া কিসপট্টার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি জুলাই আন্দোলনকে সন্ত্রাসী আন্দোলন হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন এবং আহত আন্দোলনকারীদের নিয়ে হুমকি ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন।

অভিনেত্রী ও মডেল তুষ্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে— তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জুলাইকে ‘প্রতারণার মাস’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কেউ শহীদ হননি বলে বক্তব্য দিয়েছেন।

Manual4 Ad Code

অপরদিকে, মেহের আফরোজ শাওন, মাহিয়া মাহি ও শান্তা ফারজানার বিরুদ্ধে করা সাধারণ ডায়েরিতে অভিযোগ করা হয়, শাওন জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে ‘সাজানো নাটক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। মাহিয়া মাহি আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তি ও সংগঠনগুলোকে নিয়ে ব্যঙ্গ করেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। শান্তা ফারজানার বিরুদ্ধে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে জুতা নিক্ষেপের অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগকারীরা এসব বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। অভিযোগের পক্ষে কয়েকটি ফেসবুক পোস্টের লিংকও যুক্ত করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ডিএমপির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) তরিকুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, শাহবাগ থানা থেকে পাঠানো কাগজপত্র এখনও তাদের হাতে এসে পৌঁছেনি। তিনি বলেন, “কাগজপত্র হাতে পেলে আমরা বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখবো। পোস্ট, ভিডিও বা লিংক থাকলে সেগুলো যাচাই করা হবে। এরপর আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

যা বলেছেন আনিস আলমগীর

সাংবাদিক ও কলামিস্ট আনিস আলমগীর বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “খবরে নাম ফাটানোর সস্তা উদ্দেশ্যে সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি, আরও কয়েকজনের সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে থানায় যে অভিযোগ করেছে, তা নিছক ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার।”

তিনি বলেন, “আমি কখনোই ‘জুলাই’কে অবজ্ঞা করিনি, জুলাইয়ের শহীদদের প্রতিও অসম্মান দেখাইনি। বরং যারা তাদের আত্মত্যাগকে অপমান করে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করে, তাদের বিরুদ্ধেই আমি সরব থেকেছি এবং তার সুস্পষ্ট প্রমাণ রেকর্ডে রয়েছে।”

আনিস আলমগীর আরও বলেন, “আমার সমালোচনা বরাবরই ড. ইউনূসের অপশাসন এবং ‘জুলাই’ নামকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তির মববাজি, চাঁদাবাজি, প্রতিহিংসা, অগণতান্ত্রিক ও দুর্বৃত্তসুলভ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে। এখন যদি এসবের সমালোচনাকেই ‘জুলাই অবমাননা’ বলে চালানো হয়, তাহলে সেটা নিছক সত্যকে চেপে যাওয়ার অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়। চেতনা ব্যবসা।”

তিনি বলেন, “যদি সমালোচনার এই অধিকারটুকুও কেড়ে নিতে চান, তাহলে সরকারের উচিত স্পষ্ট করে আইন করে দেওয়া— জনগণ ‘জুলাই’ নিয়ে কী বলবে, আর কী বলতে পারবে না।”

সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সব লেখা সবসময় শোভনীয় হয় না। কিছু লেখা আক্রমণাত্মক হয়, এমনকি ফৌজদারি অপরাধের পর্যায়েও পড়ে। কেউ যদি লেখে, অমুককে কুপিয়ে হত্যা করলে এক লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে, বা অমুককে জুতাপেটা করলে পুরস্কার দেওয়া হবে—তাহলে সেটি অবশ্যই আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ। এ ধরনের ঘটনায় মামলা হওয়া উচিত।’

Manual2 Ad Code

তিনি বলেন, ‘কিন্তু কেউ যদি নিজের রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ করে, শুধু সেই মতামতের জন্য মামলা হওয়ার কোনও কারণ দেখি না। যেমন কেউ যদি বলে, জুলাই আন্দোলন নিয়ে মানুষের যে প্রত্যাশা ছিল, তা পূরণ হয়নি, কিংবা জুলাইয়ের চেতনা বা বিজয় বাস্তবায়িত হয়নি—এটা তো তার রাজনৈতিক মতামত। সেই মত প্রকাশের অধিকার তার আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু কেউ যদি বলে, অমুককে মারধর করতে হবে, কেউ মারলে তাকে এক লাখ টাকা দেওয়া হবে—তাহলে সেটা ভিন্ন বিষয়। কারণ সেখানে তিনি একটি অপরাধ করতে অন্যদের প্ররোচিত করছেন। আবার কেউ যদি নিজেই কাউকে ‘জুলাইবিরোধী’ ঘোষণা করে তার বাড়িতে আগুন দিতে আহ্বান জানান এবং এজন্য পুরস্কারের ঘোষণা দেন, তাহলে সেটিও আইনবিরোধী। কাউকে ‘জুলাইবিরোধী’ ঘোষণা দেওয়ার এখতিয়ার তো ব্যক্তির নেই। তাই রাজনৈতিক বক্তব্য ও সহিংসতায় উসকানি—এই দুটি বিষয়কে এক করে দেখা উচিত নয়। রাজনৈতিক বক্তব্যের জন্য মামলা হওয়ার কোনও কারণ আমি দেখি না।’

মানবাধিকারকর্মী আবু আহমেদ ফয়জুল কবির মনে করেন, গণতান্ত্রিক সমাজে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা একটি মৌলিক মানবাধিকার এবং সুস্থ গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি। সাংবাদিক, আইনজীবী, শিক্ষক, শিল্পীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত থাকতেই পারে, এমনকি তা অনেকের কাছে আপত্তিকরও মনে হতে পারে। কিন্তু সেই মতামতের জবাব হওয়া উচিত তথ্য, যুক্তি ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিতর্কের মাধ্যমে, আইনগত পদক্ষেপকে প্রথম প্রতিক্রিয়া হিসেবে গ্রহণ করে নয়। অতীতে মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে আত্মনিয়ন্ত্রণমূলক সংস্কৃতি গড়ে ওঠার অভিযোগ ছিল, যা একটি মুক্ত ও গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য ছিল উদ্বেগের বিষয়। তাই এমন কোনও পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া উচিত নয়, যেখানে মানুষ-বিশেষ করে বিভিন্ন পেশায় কর্মরত ব্যক্তিরা আইনগত প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় নিজেদের মতামত প্রকাশে নিরুৎসাহিত হন।

তিনি আরও বলেন, “অবশ্যই মতপ্রকাশের স্বাধীনতারও আইনসম্মত সীমা রয়েছে; কোনও বক্তব্য যদি সহিংসতা, বিদ্বেষ বা বৈষম্য উসকে দেয়, তাহলে তা প্রচলিত আইনের আওতায় বিবেচিত হতে পারে। তবে ভিন্নমত বা বিতর্কিত মতামতের ক্ষেত্রে উন্মুক্ত আলোচনা, সমালোচনা ও পাল্টা বক্তব্যই একটি মানবাধিকারসম্মত ও গণতান্ত্রিক সমাজের অধিকতর গ্রহণযোগ্য পথ। কাজেই, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মন্তব্য/ বক্তব্যের সমালোচনা বা প্রতি উত্তর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই চলতে পারে অথবা নিষ্পত্তি হওয়া অধিকতর গ্রহনযোগ্য।”

বাকস্বাধীনতার প্রশ্নে মানবাধিকার সংগঠন

হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “মানুষ স্বাভাবিকভাবেই যে বিষয়, ব্যক্তি বা আন্দোলনের সঙ্গে আবেগগতভাবে যুক্ত থাকে, সেটি নিয়ে কেউ সমালোচনা করলে তার খারাপ লাগতেই পারে। যারা এ নিয়ে মন্তব্য করছেন, তাদেরও খেয়াল রাখা উচিত— তাদের বক্তব্য যেন নিহত, আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অনুভূতিকে অযথা আঘাত না করে।

ইজাজুল ইসলাম বলেন, “একইসঙ্গে এটাও মনে রাখতে হবে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আমাদের সংবিধানস্বীকৃত মৌলিক অধিকার। কোনও বক্তব্য অপছন্দ হলেই তা নিয়ে মামলা, জিডি বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের পথ বেছে নেওয়া উচিত নয়। কারণ এ ধরনের পদক্ষেপ অনেক সময় মানুষের স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের জায়গাকে সংকুচিত করতে পারে।”

তিনি বলেন, ‘‘এখানে দুই পক্ষেরই সংযম ও উদারতা দরকার। তথ্য সুএঃ বাংলা ট্রিবিউন