টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জের নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে সদর উপজেলার লস্করপুরের কালিগঞ্জ ও বানিয়াচং উপজেলার রাধাপুর এলাকা দিয়ে খোয়াই নদীর বাঁধ দুটি স্থান ভেঙে গেছে। ভাঙা স্থানগুলো দিয়ে ভিতরে দ্রুত বেগে পানি ঢুকে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে রাধাপুর ও রাতে কালিগঞ্জ এলাকায় নদীর বাঁধ ভেঙে যায়। রাতে স্থানীয় লোকজন গবাদি পশুসহ মালামাল নিয়ে নিরাপদ স্থানে গিয়ে আশ্রয় নেন।
এদিকে জেলার কুশিয়ারাসহ অন্যান্য নদীগুলোতেও পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। নদী তীরবর্তী এলাকা ও হাওরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
Manual3 Ad Code
হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত খোয়াই নদীর ২টি স্থান ভেঙ্গেছে। আরও কয়েকটি স্থান ভাঙ্গনের আশংকা রয়েছে। তবে আর ভারী বৃষ্টিপাত না হলে নদীগুলোতে পানি কমে যাবে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে স্থানীয় লোকজনদের নিয়ে বস্তা দিয়ে মাটি ফেলে সংস্কার করা হচ্ছে।
Manual5 Ad Code
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় ৫ লাখ টাকা, ১০০ টন চাউল ও ১ হাজার ৮২০ প্যাকেট শুকনো খাবার মজুদ রয়েছে। এর মাঝে বিভিন্ন উপজেলায় ১৬২০ প্যাকেট শুকনো খাবার উপবরাদ্দ করা হয়েছে।
Manual4 Ad Code
হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানায়, উজান এবং দেশের অভ্যন্তরে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। খোয়াই নদীর পানি বিপদসীমার ২২৫ সেন্টিমিটার এবং আজমিরীগঞ্জ পয়েন্টে কালনী কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ৭০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া করাঙ্গী, সুতাং ও সোনাই নদীর পানিও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।সুএঃ যুগান্তর