অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার দাবি পুলিশ কর্মকর্তার
অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার দাবি পুলিশ কর্মকর্তার
editor
প্রকাশিত জুলাই ২৯, ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ণ
Manual1 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual6 Ad Code
মাদক সেবন, অনৈতিক সম্পর্ক, যৌতুক দাবি ও নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো স্ত্রী শামিয়া খান এশার বিরুদ্ধে অনৈতিক ও অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তাকে তালাক দেওয়ার দাবি করেছেন জয়পুরহাটের সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আরিফ হোসেন।
Manual6 Ad Code
তার দাবি, নৈতিক স্খলন ও অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার কারণে গত ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি তার স্ত্রী শামিয়া খান এশাকে তালাক দিয়েছেন, যা গত জুন মাসে কার্যকর হয়েছে। সুতরাং শামিয়া খান এশা এখন তার স্ত্রী নন।
Manual8 Ad Code
বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে জয়পুরহাট শহরের পাঁচবিবি রোডের সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে তিনি এসব কথা জানান।
আরিফ হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে ঢাকায় যখন সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যা ও মনগড়া অভিযোগ করা হচ্ছে, তখন তো সে আমার স্ত্রীই নয়; কারণ তাকে তো আগেই তালাক দেওয়া হয়েছে। তাই এসব অভিযোগের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। তার প্রাপ্য দেনমোহরের টাকা লিগ্যাল নোটিশ বা আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিশোধ করে দেওয়া হবে।
স্ত্রীর আচরণের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি জানান, গত বছরের ডিসেম্বরে অনুমতি না নিয়েই এশা জয়পুরহাট থেকে ঢাকায় গিয়ে ৪৫ দিন অবস্থান করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি নিজের বাবার বাড়িতে না উঠে অন্য স্থানে ছিলেন। পরবর্তীতে বুঝিয়ে ফিরিয়ে আনা হলেও চলতি বছরের জানুয়ারিতে না জানিয়ে তিনি পুনরায় ঢাকায় চলে যান। চলে যাওয়ার সময় নগদ টাকা, পাসপোর্ট, ব্যাংকের নথিপত্র এবং জমির দলিলপত্র নিয়ে যান বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ঢাকায় নিজের মতো আলাদা বাসা ভাড়া নিয়ে থেকে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন তার স্ত্রী। স্ত্রীর এই অধঃপতন ও অসামাজিক কার্যকলাপের কারণেই অতিষ্ঠ হয়ে ফেব্রুয়ারি মাসে তাকে তালাক দিতে বাধ্য হই।
সংবাদ সম্মেলনে এশা অভিযোগ করেন, আরিফ নিয়মিত মদ্যপান ও একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন। এর প্রতিবাদ করায় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে তাকে। সংসার টিকাতে ৪০ লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে দিলেও পরবর্তীতে আরও ৫০ লাখ টাকা দাবি করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।
এছাড়া গত ৯ জানুয়ারি রাতে জয়পুরহাটের বাসায় এবং ৩০ মে ঢাকার বসিলায় শারীরিক নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন- আইজিপি, ডিআইজি ও পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগসহ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানী ঢাকায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বামী পুলিশ কর্মকর্তা আরিফ হোসেনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক সব অভিযোগ তোলেন স্ত্রী শামিয়া খান এশা। ২০১৯ সালের ১৯ জুলাই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই দম্পতির একটি পাঁচ বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে। তথ্য সুএঃ যুগান্তর