রংপুরে চার খুন; দুই আসামির ডোপ টেস্ট হবে, হত্যাকাণ্ড ঘিরে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর বের করা হবে: পুলিশ
রংপুরে চার খুন; দুই আসামির ডোপ টেস্ট হবে, হত্যাকাণ্ড ঘিরে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর বের করা হবে: পুলিশ
editor
প্রকাশিত আগস্ট ২৬, ২০২৬, ০২:২৭ অপরাহ্ণ
Manual3 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানের হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের বন্ধু সীমান্ত দাস আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাতে রংপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের কাছে তিনি এই জবানবন্দি দেন।
Manual5 Ad Code
মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাক্ষী হিসেবে সীমান্তের জবানবন্দি রেকর্ড করতে আদালতে আবেদন করা হয়। গতকাল বাবার সঙ্গে আদালতে এসে তিনি জবানবন্দি দেন। সীমান্ত আদালতে যে বর্ণনা দিয়েছেন, তা গ্রেপ্তার দুই আসামি মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির সঙ্গে হুবহু মিলে গেছে। আসামিরা ঘটনার রাতে সীমান্তের বাসায় গিয়ে ইয়াবা সেবন করার যে তথ্য দিয়েছিলেন, সীমান্তও আদালতে একই কথা বলেছেন।
এর আগে গত রোববার দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানিয়েছিল, হত্যাকাণ্ডের রাতে সীমান্তের বাড়িতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ মাদক সেবন করেছিলেন।
Manual1 Ad Code
এদিকে গ্রেপ্তার দুই আসামির মাদকাসক্তির বিষয়টি নিশ্চিত হতে ডোপ টেস্টের উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী জানান, গত সোমবার সকালে এ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যে ডোপ টেস্টের জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদন করা হয়েছে। আজ বুধবার তাঁদের ডোপ টেস্টের জন্য পাঠানো হবে।
হত্যাকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় মানুষের মধ্যে তৈরি হওয়া নানা প্রশ্নের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে যেসব প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তার প্রতিটির উত্তর খুঁজে বের করা হবে। এ মামলায় কঠোরভাবে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
Manual5 Ad Code
নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী গত রোববার রংপুর কোতোয়ালি থানায় বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। প্রথমে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি মামলাটি তদন্ত করছিলেন। পরে গত সোমবার রাতে মামলার তদন্তভার ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়।
গত শনিবার রাতে রংপুর নগরের কামাল কাছনা এলাকার মাছুয়াপাড়ার বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর (১২) লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ বলছে, চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তথ্য সুএঃ প্রথমআলো