আজ শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রেনে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, ৩ দিন পর রেললাইনের পাশে মিলল মরদেহ

editor
প্রকাশিত অক্টোবর ১০, ২০২৬, ০২:০১ পূর্বাহ্ণ
ট্রেনে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, ৩ দিন পর রেললাইনের পাশে মিলল মরদেহ

Manual6 Ad Code
স্বপন কুমার সিং,নিজস্ব প্রতিবেদক :
​মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় মনু রেলস্টেশন সংলগ্ন রেললাইনের পাশ থেকে জুবায়ের ইসলাম জুবেল (২৩) নামে এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত ৬ অক্টোবর ঢাকা থেকে ট্রেনে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
​নিহত জুবায়ের ইসলাম জুবেল কুলাউড়া উপজেলার ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের উত্তর হিঙ্গাজিয়া গ্রামের কাছিম আলী ও মোছাঃ জয়রুন বেগম দম্পতির ছেলে।
​পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে ঢাকার বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে কুলাউড়ার উদ্দেশে ট্রেনে ওঠেন জুবেল। রাত আনুমানিক ৭টার দিকে ট্রেনটি ভৈরব এলাকা অতিক্রম করার সময় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার সর্বশেষ কথা হয়। এরপর থেকে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
​পরিবারের সদস্যরা জানান, সময়মতো বাড়িতে না ফেরায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন স্বজনেরা। তাকে খুঁজে পেতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যোগাযোগের নম্বরসহ সাহায্য চেয়ে পোস্ট দেওয়া হয়। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির মধ্যেই শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে মনু রেলস্টেশন এলাকায় রেললাইনের পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন।
​খবর পেয়ে কুলাউড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
​বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে মুঠোফোনে শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, রেললাইনের স্লিপার থেকে প্রায় ২৫ ফুট দূরে মরদেহটি পাওয়া যাওয়ায় ঘটনাস্থলটি রেলওয়ে থানার আওতাভুক্ত নয়। বিষয়টি কুলাউড়া থানা-পুলিশের অধীনে রয়েছে।
​এ বিষয়ে কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না  রেড টাইমস  নিউজ -কে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ট্রেন থেকে পড়ে জুবায়েরের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।