দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে এলিট ফোর্স হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর থেকেই র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) মাদক উদ্ধার,হত্যা মামলা,সন্ত্রাসী ও জঙ্গি দমন,অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
Manual1 Ad Code
গত ৫ই আগস্ট ২০২৪ থেকে অদ্যাবধি র্যাব-৯, সিলেট বিভাগের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে মোট ৪২টি দেশি ও বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০৪ রাউন্ড গুলি,৬টি ম্যাগাজিন,১৬ হাজার ৫৭০ গ্রাম বিস্ফোরক, ১১৯টি ডেটোনেটর, একটি সাউন্ড গ্রেনেড, ৫টি পেট্রোল বোমা,১১টি ককটেল এবং বিপুল পরিমাণ এয়ারগানের গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এসব অভিযানে উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও বিস্ফোরক সিলেট বিভাগের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে এবং সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৯,সিপিসি-২, মৌলভীবাজারের একটি আভিযানিক দল গত ৩রা ফেব্রুয়ারি রাতে অস্ত্র উদ্ধারের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রাত আনুমানিক পৌনে ৯টার দিকে র্যাব জানতে পারে যে, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানাধীন কর্মধা ইউনিয়নের মুরাইছড়া চা বাগানে এয়ারগান পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকতে পারে।
Manual1 Ad Code
প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের আভিযানিক দল রাত আনুমানিক ৯টা ৪০ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি চালায়। এ সময় চা বাগানের ভেতরে একটি প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো অবস্থায় ৬টি এয়ারগান এবং ২০টি এয়ারগানের গুলি উদ্ধার করা হয়। তবে উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে র্যাব-৯ এর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধারকৃত এয়ারগান ও গুলিগুলো সাধারণ ডায়েরির (জিডি) মাধ্যমে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
Manual4 Ad Code
Manual2 Ad Code
বুধবার (৪ঠা ফেব্রুয়ারি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান র্যাব-৯,সিলেটের মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ।