৬১ আইনজীবীর কারামুক্তির এক বছর, ইউনূসের বিচার চেয়ে মানববন্ধন
৬১ আইনজীবীর কারামুক্তির এক বছর, ইউনূসের বিচার চেয়ে মানববন্ধন
editor
প্রকাশিত জুন ৯, ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ণ
Manual8 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গ্রেপ্তার হয়ে পরে জামিনে মুক্তি পাওয়া ৬১ জন আইনজীবী সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের বিচার চেয়ে মানববন্ধন করেছেন।
মঙ্গলবার (০৯ জুন) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেন আওয়ামীপন্থি এ আইনজীবীরা। তারা মুহাম্মদ ইউনুসের বিচার দাবি করেন।
মানববন্ধনে কারামুক্ত আইনজীবী মাহফুজুর রহমান লিখন জানিয়েছেন, গেল বছরের ৬ এপ্রিল তাদের কারাগারে পাঠানো হয়; দুমাস পর জুন মাসের ৬ তারিখে তারা মুক্ত হন। ওই দিনটিকে আইনজীবী লিখন ‘কারামুক্তি দিবস’ বর্ণনা করেছেন।
Manual5 Ad Code
চলতি বছরের ৬ জুন দিবসটি পালনের পরিকল্পনা থাকলেও সেটি হয়ে ওঠেনি অন্য একটি অনুষ্ঠানের কারণে; তাই এদিন তারা মানববন্ধনের মাধ্যমে ‘কারামুক্তি দিবস’ পালনের আনুষ্ঠানিকতা করছেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবী লিখন।
মানববন্ধনে লিখন তার বক্তব্যে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদেরকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না দেওয়া, মামলা পরিচালনা করতে না দেওয়ার অভিযোগ তুলে এসব কাজের নিন্দা জানান। কারাগারে থাকা আইনজীবীদের মামলা প্রত্যাহারেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।
Manual3 Ad Code
মানববন্ধনে কারামুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, ওবায়দুল ইসলাম, লিটন মিয়া, তৌহিদ, শামীম আল সোহাগ সাইফুলসহ আরও অনেকে।
আইনজীবী লিটন মিয়া বলেন, “গত বছরের ৬ এপ্রিল ৬১ জন আইনজীবীকে বিনা অপরাধে কারাগারে পাঠায় ড. ইউনূস। ৬ জুনে আমরা কারামুক্ত হই। দিনটিতে স্মরণে রাখতে কারামুক্তি দিবস পালন করছি। বেআইনিভাবে আইনজীবীদের কারাগারে পাঠানোয় ইউনূসের বিচার দাবি করছি।”
মামলার অভিযোগে বলা হয়, “জুলাই আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ৪ অগাস্ট দুপুরে আসামিরা ঢাকা আইনজীবী সমিতির সম্মুখ থেকে বেআইনি জনতাবদ্ধে আবদ্ধ হয়ে অস্ত্র, লাঠিসোঁটা নিয়ে আতংঙ্ক সৃষ্টি করেন। তারা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ‘শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।
“এ সময় এক আইনজীবী মামলা শুনানি শেষে করে ঢাকা আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে আসেন। তখন আসামি আনোয়ার শাহাদাৎ শাওন হেলমেট পরে পিস্তল দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তার ওপর গুলি তাক করেন।”
পরে এ ঘটনায় কোতয়ালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
Manual4 Ad Code
গেল বছরের ৬ এপ্রিল ৬১ আইনজীবী আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করে। শুানানি নিয়ে আদালত জামিন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। প্রায় দুই মাস কারাগারে থেকে জামিন পান আইনজীবীরা।