আ. লীগকে বাদ দিয়ে ইনক্লুসিভ ইলেকশন হতে পারে না : বদিউর রহমান
আ. লীগকে বাদ দিয়ে ইনক্লুসিভ ইলেকশন হতে পারে না : বদিউর রহমান
editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ০২:৩০ পূর্বাহ্ণ
Manual6 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক:
Manual6 Ad Code
আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে যে ইলেকশন হচ্ছে, এটা ইনক্লুসিভ ইলেকশন (অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন) হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান বদিউর রহমান।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের এক আলোচনা অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।
বদিউর রহমান বলেন, একদল স্লোগান দিচ্ছে যে ভোট দেব কীসে? ধানের শীষে। তুলি আপার দুই নয়ন, এলাকার উন্নয়ন।
আর এদের বিরোধীরা যাওয়ার সময় একটু বলতেছে, নাম তার তুলি, আমরা গেছি ভুলি। নাম তার আরমান, রাখবে মোদের সম্মান। এটা জামায়াতের প্রার্থী। আরো মজা দেখলাম যে ছলচাতুরী করে, কলাকৌশলে নির্বাচনের যে বিধিনিষেধ আছে, সেগুলোর ফাঁকগুলো দিয়ে সবাই তাদের নিজ নিজ কাজ সারতেছে।
যেমন একটা বড় মানুষের জন্মদিন উপলক্ষে দাতব্য সেবা দেবে, চিকিৎসা ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প, তো সে মেডিক্যাল ক্যাম্প দেবে, ওষুধও দিচ্ছে ফ্রি, কিন্তু আসল কে? আসল তাদের একজন প্রার্থী। তার সঙ্গে সবাই ছবি উঠাচ্ছে। চলছে জিন্দাবাদ।
Manual2 Ad Code
তিনি বলেন, আবার আরেকজন ওই এলাকার দুই রোডের বাসিন্দাদের কথাবার্তা হবে, তাদের সুবিধা অসুবিধা নিয়ে, তাকে করে ফেলছে প্রধান অতিথি।
কারা করল? ওরা। একটা লাভ হচ্ছে এখন, এমনিতে তো অনেকেই চেনেন, তারপরে সালাম পাচ্ছে প্রচুর এবং যেই পরিমাণ কাগজ দিচ্ছে মসজিদে, রাস্তায়, সবগুলো জমালে বোধ টাকা বিশেক কেজি হিসেবে অন্তত পাব হয়ত। টুকটাক মন্দ হবে না আর কি।
Manual2 Ad Code
সাবেক এ সচিব বলেন, ভোটটা নিয়ে আমার একটা রিজারভেশন আছে। এখন কেউ আমাকে আলীর দোসর বলবে কি না আমি জানি না।
Manual7 Ad Code
কারণ আমি কোদালকে কোদাল বলি। আমার তিনটি বই, সবগুলো আমি ডিরেক্ট লিখেছি এগুলো। আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে যে ইলেকশন হচ্ছে এটা ইনক্লুসিভ ইলেকশন হতে পারে না। তার কারণ তাকে ভোট দিয়ে নাস্তানাবুদ করে মুসলিম লীগ বানিয়ে দেন। আলী মুলি হয়ে যাক। কিন্তু আপনি গায়ের জোরে তাকে বাদ দিয়ে দেবেন, ভোটে আসতে দেবেন না। জাতীয় পার্টিকে বলবেন যে ওরা তাদের দোসর, দেবেন না। তাহলে তো এটা মাস্তানি হচ্ছে। সেফ মাস্তানি। এটা দিয়ে তো ভোট ইনক্লুসিভ হয় না।
তিনি আরো বলেন, তার মধ্যে আবার সবসময় আমরা বলি বা শুনি যে কিংস পার্টি বলে কি একটা কথা থাকে, কে কাকে পোষে। এখন সেই পোষার মধ্যে সরকার প্রধান যার নিরপেক্ষ হওয়ার কথা প্রফেসর ইউনূস, নোবেলবিজয়ী, আমাদের জন্য বড় মানসম্মানের স্তম্ভ তিনি। তিনি যখন আকবরের বৈরাম খাঁ হন, নাবালক আকবর যখন সম্রাট হয়, তখন তার একজন বৈরাম খাঁ ছিল। সরকার প্রধান নিরপেক্ষ হতে গেলে বৈরাম খাঁ হতে পারেন না। আর আন্দোলনের প্রথমেই যদি ক্ষমতায় এসে বলা হয় যে ছাত্ররা আমার নিয়োগকর্তা, এতে মেসেজটা খারাপ হয়ে যায়। যে ছাত্ররা নিয়োগকর্তা, যদি গায়ের জোরে ক্ষমতায় সরকারে আসে, তাহলে পরবর্তী ছাত্রদের জন্য এটা মারাত্মক খারাপ হয়। তারাও ভাববে, আরেকবার এরকম কিছু হলে, আমি এটা হতে পারব।