ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার; পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠনকে ‘বাংলার স্বাধীনতা দিবস’ বললেন দীনেশ ত্রিবেদী
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার; পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠনকে ‘বাংলার স্বাধীনতা দিবস’ বললেন দীনেশ ত্রিবেদী
editor
প্রকাশিত মে ৯, ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ণ
Manual6 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual6 Ad Code
ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বর্তমানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শনিবার পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনকে ‘বাংলার স্বাধীনতা দিবস’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেন, রাজ্যজুড়ে নারীরা আনন্দ প্রকাশ করছেন এবং নবগঠিত বিজেপি সরকারকে তাদের আশীর্বাদ জানাচ্ছেন।
কলকাতায় সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর সাথে আলাপকালে ত্রিবেদী বলেন, “আজ বাংলার প্রকৃত স্বাধীনতা দিবস। মা-বোনদের চোখের আনন্দাশ্রু বলে দিচ্ছে তারা আজ মুক্তি পেয়েছে। তাদের বিশেষ আশীর্বাদ আমাদের সাথে রয়েছে।”
Manual2 Ad Code
এর আগে আজ শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন, যার মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেসের দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটল। শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু এবং নিশীথ প্রামাণিক পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন।
রাজভবনের এই জমকালো শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ, রাজনাথ সিং, জেপি নাড্ডা এবং ধর্মেন্দ্র প্রধান। এছাড়া ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, আসামের হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, দিল্লির রেখা গুপ্তা ও উত্তরাখণ্ডের পুষ্কর ধামিসহ বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে নরেন্দ্র মোদি রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত বিজেপি কর্মী দেবাশীষ মন্ডল, সৌমিত্র ঘোষাল এবং আনন্দ পালের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং সমবেদনা জানান।
রাজ্যপাল আর.এন. রবি কলকাতার এক বিশাল অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারীকে পশ্চিমবঙ্গের ৯ম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ বাক্য পাঠ করান। ২০২৬ সালের বিতর্কিত এই নির্বাচনে বিজেপি ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২০৭টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৮০টি আসনে সংকুচিত হয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য যে, শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর কেন্দ্রে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৫,০০০-এর বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন এবং একইসাথে নিজের নন্দীগ্রাম আসনটিও ধরে রেখেছেন। সূত্র: এনএনআই