আজ রবিবার, ১৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলীয় নেতা হলেন মমতার বিশ্বস্ত শোভনদেব

editor
প্রকাশিত মে ১১, ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ণ
পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলীয় নেতা হলেন মমতার বিশ্বস্ত শোভনদেব

Manual1 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ৮০টি আসন পেয়ে বিরোধী দলের মর্যাদা পেয়েছে রাজ্য সরকারে সাবেক ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস। আর বিধানসভায় তৃণমূলের দলীয় নেতা ও বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে মনোনীত হয়েছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে আস্থাভাজন ও বিশ্বস্ত নেতাদের মধ্যে অন্যতম শোভনদেব। এবার ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে যাওয়ায় মমতা বিধানসভায় আসতে পারেননি। এই পরিস্থিতিতে শোভনদেবকেই বিরোধী দলের নেতার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে

Manual3 Ad Code

বালিগঞ্জ থেকে নিজের আসনে বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন শোভনদেব। তৃণমূলের এই প্রবীণ নেতা বিজেপি প্রার্থী শতরূপা চট্টোপাধ্যায়কে ৬১ হাজার ৪৭৬ ভোটে হারিয়ে টানা দশমবারের মতো বিধায়ক হয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এর আগে কেউ টানা এতবার কোনো আসন থেকে জয় পাননি।

কে এই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়

Manual4 Ad Code

১৯৪৪ সালে জন্ম নেওয়া শোভনদেব যৌবনে বক্সিংয়ের চর্চা করতেন। রাজনীতিতে হাতেখড়ি কংগ্রেসে। তার আগে কলকাতা পৌরসভায় চাকরি করেছেন। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে বারুইপুর থেকে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিলেন। পরে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে কংগ্রেস ছাড়েন।

Manual7 Ad Code

১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস গঠিত হওয়ার পর থেকেই দলে আছেন শোভনদেব। তৃণমূলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্যের পাশাপাশি শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে চলেন। বর্তমানে তিনি কলকাতা অটো-রিকশা চালক ইউনিয়নের সভাপতি। তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি-রও প্রতিষ্ঠাতা তিনি।

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তার বিশ্বস্ততার সবচেয়ে বড় উদাহরণ দেখা গিয়েছিল। সেবার ভবানীপুর থেকে জয়ী হয়েও মমতার অনুরোধে আসন ছেড়ে দেন শোভনদেব। পরে খড়দহ উপনির্বাচনে জিতে ফের বিধানসভায় ফিরে আসেন।

এবারও মমতার অনুপস্থিতিতে শোভনদেবের ওপরই ভরসা রেখেছে তৃণমূল। বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে তাঁর ভূমিকা কতটা কার্যকর হয়, সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

সূত্র : এনডিটিভি

Manual8 Ad Code