হয় ইরান চুক্তি করবে, না হয় ধ্বংস হয়ে যাবে: ট্রাম্প
হয় ইরান চুক্তি করবে, না হয় ধ্বংস হয়ে যাবে: ট্রাম্প
editor
প্রকাশিত মে ১৫, ২০২৬, ০১:১২ অপরাহ্ণ
Manual3 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
ইরান পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে তেহরানকে ‘ধ্বংস’ বা পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হওয়ার মুখোমুখি হতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সম্প্রচার মাধ্যমগুলোতে দেওয়া এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি এই চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
Manual7 Ad Code
ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানান, ইরানকে হয় একটি চুক্তিতে আসতে হবে, অন্যথায় তারা ধ্বংসের শিকার হবে। তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে তার এই বক্তব্যকে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে কঠোর বাগাড়ম্বর হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান সম্প্রতি ভূগর্ভস্থ স্থাপনা থেকে ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নিয়েছে। কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই তিনি বলেন, ইরান ভূগর্ভ থেকে কিছু মিসাইল বের করেছে এবং এগুলো মাত্র এক দিনের মধ্যেই ধ্বংস করে দেওয়া সম্ভব। তবে ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের বিষয়ে তিনি কিছুটা মিশ্র মূল্যায়ন দিয়েছেন।
Manual5 Ad Code
ট্রাম্প মনে করেন, দেশটির বর্তমান কর্মকর্তারা আগের পর্যায়ের নেতাদের তুলনায় অনেক বেশি বিচক্ষণ এবং যৌক্তিক। তার মতে, ইরানের আলোচনা করার ধরনেও এক ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
Manual3 Ad Code
ইরানের ভূখণ্ড থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ট্রাম্প কিছুটা ভিন্ন মত পোষণ করেন। তিনি মন্তব্য করেন, জনমতের বিষয়টি বাদ দিলে এই ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়া আসলে খুব বেশি জরুরি কোনো বিষয় নয়। তবে তার ভাষায় ‘ভুয়া সংবাদ’ বা ফেক নিউজ ডটকমগুলোর কাছে স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ। ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি এই ইউরেনিয়াম সংগ্রহের কথা বলেছিলেন এবং এটি বাস্তবায়নে তিনি বদ্ধপরিকর।
Manual6 Ad Code
ট্রাম্পের এই বিস্ফোরক মন্তব্য এমন এক সময়ে এল যখন মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের এই কট্টর অবস্থান এবং সরাসরি সামরিক হামলার হুমকি নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে।
ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেন, ইরান তার এই বার্তাগুলো গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করছে এবং শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের পরিবর্তে একটি আলোচনার পথ বেছে নেবে। অন্যথায় এক ভয়াবহ সংঘাতের জন্য ইরানকে প্রস্তুত থাকতে হবে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।