নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগের দাবিতে বাসভবনের সামনে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসের অবস্থান
নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগের দাবিতে বাসভবনের সামনে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসের অবস্থান
editor
প্রকাশিত জুলাই ২১, ২০২৬, ০৬:৪৮ অপরাহ্ণ
Manual1 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual1 Ad Code
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগ দাবিতে তাঁর সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন কংগ্রেস নেতারা। বিরোধী দলের এই কর্মসূচিতে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী উপস্থিত রয়েছেন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনারও প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তারা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেন রাহুল গান্ধী। মিছিল থেকে নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হয়।
এনডিটিভির সরাসরি সম্প্রচারে বিকেল পাঁচটা পর্যন্তও তাদের অবস্থান করতে দেখা যায়।
Manual4 Ad Code
এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, গতকাল (সোমবার) তরুণ ও শিক্ষার্থীদের ওপর যে বর্বরতা চালানো হয়েছে, তার জবাব চাইতে আমরা প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির সামনে মিছিল করেছি। সরকার কোনো দায়িত্ব নিতে চায় না, সংসদেও এ নিয়ে আলোচনা করতে চায় না। ভারতের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
Manual8 Ad Code
সোমবার মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রবেশিকা পরীক্ষার (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁসের তদন্ত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে হাজার হাজার শিক্ষার্থী সংসদের দিকে মিছিল করেন। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র নেতৃত্বে এই মিছিলে পুলিশ লাঠিপেটা ও টিয়ার গ্যাস ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
দ্য হিন্দু জানিয়েছে, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে যন্তর-মন্তর এলাকায় শত শত মানুষ জড়ো হয়। তারা যন্তর-মন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। সকাল থেকেই এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিত দীপকে আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে যান। এক্সে তিনি বলেন, পুলিশের বেধড়ক লাঠিপেটায় এক ছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তিনি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন।
Manual2 Ad Code
এদিকে মঙ্গলবার সকালে এনডিএ জোটের এমপিদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠকে তিনি এমপিদের প্রতি আহ্বান জানান, তরুণদের কাছে গিয়ে তাদের সংশয় দূর করতে। সূত্র জানায়, প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া, গ্রেপ্তারকৃতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া এবং বিরোধীদের ‘ষড়যন্ত্র’ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।