অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের
অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের
editor
প্রকাশিত জুলাই ২১, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
Manual8 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের অর্ধশতাধিক দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা করছেন।
আগামী সপ্তাহের শুরু থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস।
Manual3 Ad Code
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
Manual4 Ad Code
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন প্রায় ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তুতি নিয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রশাসন ১৯৭৪ সালের মার্কিন বাণিজ্য আইনের ৩০১ ধারাকে আইনি ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। বিশেষ করে জোরপূর্বক শ্রমপ্রথা-সংক্রান্ত তদন্তের ফলাফলের ওপর নির্ভর করেই এই পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
Manual8 Ad Code
সম্প্রতি ট্রাম্প তার শুল্কনীতি আরও বিস্তৃত করেছেন। এর অংশ হিসেবে কানাডা থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ এবং ব্রাজিলের পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন।
এর আগে চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ২০২৫ সালের এপ্রিলে চালু হওয়া পারস্পরিক শুল্ক ব্যবস্থা বাতিল করে। আদালতের ওই রায়ের পর আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ট্রাম্পকে প্রধান বাণিজ্য অংশীদারদের সঙ্গে স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখা এবং ২০২৫ সালে হওয়া বাণিজ্য চুক্তিগুলো বহাল রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। একই সঙ্গে কিছু প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যকে শুল্কমুক্ত রাখা এবং নির্দিষ্ট ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামজাত পণ্যের ওপর শুল্ক কমানোর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।
ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যেই নতুন এই শুল্ক পরিকল্পনা সামনে এসেছে। এর প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়ে প্রতি গ্যালন তেলের মূল্য ৪ ডলারের বেশি হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।
এদিকে চলতি মাসের শুরুতে পরিচালিত এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতি দিলেও জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে ট্রাম্পের পদক্ষেপে সন্তুষ্ট নন দুই-তৃতীয়াংশের বেশি মার্কিন ভোটার।
প্রস্তাবিত শুল্ক ব্যবস্থায় জোরপূর্বক শ্রমপ্রথার অভিযোগে বিভিন্ন দেশের পণ্যকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। পাশাপাশি অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা নিয়ে পৃথক তদন্তের আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), চীন, ভারত, জাপান, মেক্সিকো, দক্ষিণ কোরিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।