আজ রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান গড়ার তাগিদ ফলকার তুর্কের

editor
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান গড়ার তাগিদ ফলকার তুর্কের

Manual7 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জবাবদিহি ও কার্যক্রম তদারকি করতে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক।

Manual4 Ad Code

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ তাগিদ দেন।

অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে ফলকার তুর্ক উল্লেখ করেন, নিরাপত্তা বাহিনীর কাজের ওপর নজরদারি বজায় রাখতে পারে—এমন একটি কার্যকর ও স্বাধীন প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলার জন্য জাতিসংঘ ধারাবাহিকভাবে আহ্বান জানিয়ে আসছে।

Manual5 Ad Code

এই আহ্বানের পেছনে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর (ওএইচসিএইচআর) ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি একটি বিশদ তথ্যানুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যেখানে বাংলাদেশের সামগ্রিক মানবাধিকার পরিস্থিতির টেকসই উন্নয়নে ৪৪টি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করা হয়েছিল।

Manual8 Ad Code

সুপারিশগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকাণ্ড মূল্যায়নে একটি স্বতন্ত্র তদারকি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। এছাড়া গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, নিরাপত্তা খাতের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, বেসামরিক তদারকি বৃদ্ধি এবং জবাবদিহিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়গুলোও ওই প্রতিবেদনে গুরুত্ব পায়।

পাশাপাশি জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা বাংলাদেশের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও কার্যকর করার তাগিদ দিয়েছে। সংস্থাগুলোর মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো সরাসরি তদন্ত করার আইনি ক্ষমতা কমিশনের থাকা প্রয়োজন।

Manual6 Ad Code

একই সঙ্গে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও অর্থায়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ‘প্যারিস নীতিমালা’ অনুসরণ করে স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও যোগ্যতাভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়া চালুর ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।