আজ , ,

ট্রাম্প এখন কঠিন রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি

editor
প্রকাশিত November 5, 2026, 05:20 PM
ট্রাম্প এখন কঠিন রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি

Manual6 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual8 Ad Code

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রচারণায় অন্তত ৪৭ বার ভোটারদের বলেছেন, ব্যালটে তার নাম আছে ধরে নিয়েই ভোট দিতে। কিন্তু ফল এসেছে সম্পূর্ণ উল্টো। বুধবার সকাল পর্যন্ত প্রতিনিধি পরিষদের জাতীয় ভোটে ডেমোক্র্যাটরা প্রায় ১৩ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন। ১৯৭৬ সালের পর কংগ্রেস নির্বাচনে কোনো দলের সবচেয়ে বড় ব্যবধান এটাই।

Manual4 Ad Code

ফলাফল প্রকাশের পর ট্রাম্প দাবি করেছেন, ব্যালটে তার নাম থাকলে রিপাবলিকানরা বিপুল ব্যবধানে জিতত। তবে এমন পরাজয়ের প্রস্তুতি হোয়াইট হাউস শুরু করেছিল গত এপ্রিল থেকেই। নতুন আইন ছাড়াই নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহারের পথ এবং কংগ্রেসের সম্ভাব্য তদন্ত মোকাবিলার পরিকল্পনা তৈরি করে রেখেছিলেন তার সহযোগীরা।

ট্রাম্প একদিকে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করার কথা বলেছেন, অন্যদিকে তাদের পাস করা বিলে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতাও রয়েছে তার হাতে। আগামী জানুয়ারিতে নতুন কংগ্রেস বসলে বাজেট, তদন্ত ও নিয়োগ নিয়ে তার অবস্থান পরীক্ষার মুখে পড়বে।

ক্ষমতা ও তদন্তের চ্যালেঞ্জ

নতুন শুল্ক আরোপ ও ভিসার শর্ত আরও কঠোর করার মতো পদক্ষেপ নিয়ে ভাবা হচ্ছে হোয়াইট হাউসে। তবে বাজেট ও বড় আইন পাস করতে কংগ্রেসের অনুমোদন লাগবে। ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্প পরিবারের ব্যবসা, প্রতিরক্ষা ব্যয় এবং এপস্টিন-সংক্রান্ত নথি নিয়ে তদন্ত শুরু করতে পারেন। চাইলে তাদের কংগ্রেসের সামনে হাজির হওয়ার নির্দেশও দিতে পারেন। অভিশংসনের সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে সেই উদ্যোগ নিলেও তাঁকে সরাতে সিনেটে দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন।

Manual6 Ad Code

মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় পরাজয় মানেই ২০২৮ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের দলের পথ বন্ধ হয়ে যায়নি।

২০২৮ সালের হিসাব

এই পরাজয় ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে ট্রাম্পের কাছ থেকে দূরত্ব তৈরির কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে ফেলেছে। ভ্যান্সের পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিসও ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান মনোনয়ন নিয়ে ভাবতে পারেন।

আগামী দুই বছরে ডেমোক্র্যাটরা ভোটারদের প্রত্যাশা কতটা মেটাতে পারেন, তার ওপরই রাজনৈতিক সমীকরণ অনেকাংশে নির্ভর করছে। অন্যদিকে, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রে তাদের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কিছুটা ধীরগতি অবলম্বন করতে পারে। এমনকি বেইজিংও দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় ট্রাম্পের বর্তমান রাজনৈতিক দুর্বলতাকে নিজেদের অনুকূলে ব্যবহারের চেষ্টা করতে পারে।

Manual1 Ad Code