সংখ্যালঘু’ শব্দটি প্রত্যাখ্যান করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যা বললেন
সংখ্যালঘু’ শব্দটি প্রত্যাখ্যান করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যা বললেন
editor
প্রকাশিত অক্টোবর ২০, ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ণ
Manual8 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual6 Ad Code
‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি প্রত্যাখ্যান করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ যে ধর্ম বা বর্ণেরই হোন না কেন, সকলেই সমান অধিকার নিয়ে এই রাষ্ট্রে বসবাস করবেন। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকলে সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে ও নিরাপদে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সাহাপাড়া শারদীয় দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
গত বছরের দুর্গাপূজার সঙ্গে এবারের পূজার তুলনা টেনে শামা ওবায়েদ বলেন, গত ফেব্রুয়ারিতে জনগণের বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে এবং এই সরকার প্রতিটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি উল্লেখ করেন, গত বছরের পূজায় বিএনপির নেতাকর্মীরা মন্দির কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে রাতভর মণ্ডপ পাহারা দিয়েছিলেন, যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।
Manual1 Ad Code
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে তিনি পূজার সরকারি বরাদ্দ নিয়ে প্রশ্ন রাখেন—এ বছর তারা বিগত সরকারের আমলের তুলনায় বেশি বরাদ্দ পেয়েছেন কি না। তিনি বলেন, গত ১৭ বছর মানুষ কঠিন সময় পার করেছে, কিন্তু এবারের দুর্গোৎসবে সব ধর্মের মানুষ ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে একসঙ্গে উৎসব পালন করছে, যা বাংলাদেশের প্রকৃত সৌন্দর্য।
Manual6 Ad Code
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের অবস্থান তুলে ধরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ১৮ কোটি মানুষকে আশ্বস্ত করতে চাই, তারা যে ধর্মের বা বর্ণেরই হোন না কেন, সবাই সমঅধিকার নিয়ে বাঁচবেন। আমরা সংখ্যালঘু শব্দে বিশ্বাস করি না।’
নিজের বাবা ও সাবেক বিএনপি মহাসচিব কে এম ওবায়দুর রহমানের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, তার বাবা জীবদ্দশায় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন এবং নিয়মিত পূজামণ্ডপে আসতেন।
উপস্থিত বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে শামা ওবায়েদ অভ্যন্তরীণ কোন্দল পরিহার করে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দলাদলি না করে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে এবং জাতীয়তাবাদী দলকে আরও সুসংহত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
এ সময় সালথা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. আসাদ মাতুব্বর, বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শাহিন মাতুব্বর, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খায়রুল বাসার আজাদ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হাসান আশরাফ, যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল ইসলাম ও মিরান হোসেন, সদস্যসচিব এনায়েত হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।