সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের খসড়া তৈরি : আসিফ নজরুল
সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের খসড়া তৈরি : আসিফ নজরুল
editor
প্রকাশিত মার্চ ১২, ২০২৫, ০৫:৩৮ অপরাহ্ণ
Manual1 Ad Code
টাইমস নিউজ
Manual2 Ad Code
আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, ধর্ষণ মামলার তদন্ত ও বিচারের সময় কমিয়ে অর্ধেক করতে সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। বুধবার সচিবালয়ে ধর্ষণবিরোধী মঞ্চের নেত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
Manual7 Ad Code
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনে সরকারের পদক্ষেপের বিষয়ে ধর্ষণবিরোধী মঞ্চের নেত্রীদের জানানো হয়েছে জানিয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, আমরা সোমবার এবং মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে পরামর্শ সভা করেছি। আমরা একটা খসড়া (সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন) আইন করেছি, বুধবার খসড়ার কপি অংশীজনদের কাছে পাঠিয়েছি। যত দ্রুত সম্ভব আমরা আইনটি কঠোর করার চেষ্টা করব। ধর্ষণের মামলার বিচার যাতে শুধু দ্রুত নয়, বরং বিচারটা যাতে নিশ্চিত হয় এবং যথাযথ হয় সরকার তা নিশ্চিত করতে চায়।
খসড়া আইন অনুযায়ী, ধর্ষণের মামলা তদন্তের সময় ৩০ দিন থেকে কমিয়ে ১৫ দিন এবং মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার সময় ১৮০ দিন থেকে কমিয়ে ৯০ দিন করা হচ্ছে। বিচারক যদি মনে করেন তবে ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়াই মেডিকেল সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে মামলার বিচারকাজ ও তদন্তকাজ চালাতে পারবেন। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে এমন বিধান রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা।
Manual6 Ad Code
ধর্ষণবিরোধী মঞ্চের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, তারা আমাকে যেসব কথা বলেছেন, আমি মনে করি তাদের প্রতিটি দাবি যৌক্তিক। তারা বলেছেন মাগুরায় শিশু ধর্ষণের ঘটনায় যাতে সর্বোচ্চ দ্রুততার সঙ্গে বিচার নিশ্চিত করা হয়। আমরা তাদের আশ্বস্ত করেছি, মাগুরার ঘটনায় যে সব আসামি পুলিশ গ্রেফতার করেছে, ইতোমধ্যে মঙ্গলবার তাদের ডিএনএ স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয়েছে। এর বিচারকার্যে কোনো ধরনের কালবিলম্ব না করে দ্রুত এবং ন্যায়বিচার যাতে হয়, সেজন্য আমাদের একটা নজরদারি থাকবে।
Manual6 Ad Code
আইন উপদেষ্টা বলেন, তারা বলেছেন ধর্ষণ সংক্রান্ত সব মামলার ক্ষেত্রে যাতে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আমরা বলেছি সাধ্যমতো চেষ্টা করব। আসিফ নজরুল বলেন, তারা ধর্ষণের মামলার বিচার করার জন্য একটা স্পেশাল কোর্টের কথা বলেছেন।
মঞ্চের নেত্রীরা কর্মক্ষেত্র-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যৌন হয়রানি রোধে আলাদা সেল করার কথা বলেছেন জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে হাইকোর্টের একটি রায় রয়েছে। সেই রায়ের আলোকে শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আর কাজের জায়গায় নয় বরং রাস্তাঘাটে যাতে আমাদের মেয়েরা উত্ত্যক্ত ও হয়রানির শিকার না হন- সেরকম একটি কম্প্রিহেনসিভ আইন করার কথা দিয়েছি, বলেছি সিরিয়াসলি চিন্তা করব। হাইকোর্টের রায়ের আলোকে সেই আইনটা একটু জোরালোভাবে করার চেষ্টা করব।