ইরানি জাতিকে আইআরজিসির ধন্যবাদ; পৃথিবীর কোনো শক্তিই ইরানকে দুর্বল করতে পারবে না
ইরানি জাতিকে আইআরজিসির ধন্যবাদ; পৃথিবীর কোনো শক্তিই ইরানকে দুর্বল করতে পারবে না
editor
প্রকাশিত মে ৩, ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ণ
Manual5 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual7 Ad Code
দেশজুড়ে চলমান ব্যাপক গণসমাবেশকে ‘জাতীয় ঐক্যের প্রকাশ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে ইরানি জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
শনিবার (২ মে) এক বিবৃতিতে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশব্যাপী যে বিশাল সমাবেশগুলো অনুষ্ঠিত হয়েছে, তা ইরানের জাতীয় ঐক্য ও প্রতিরোধের মনোভাবকে আরও দৃঢ় করেছে। বিশেষ করে অষ্টম শিয়া ইমাম ইমাম রেজা (আ.)-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচি এবং ‘জানফাদা-ই-ইরান’ (ইরানের জন্য ত্যাগ) ক্যাম্পেইনে লাখো মানুষের অংশগ্রহণকে তারা তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে।
Manual5 Ad Code
আইআরজিসি জানায়, এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে বহু মানুষ দেশের জন্য জীবন উৎসর্গের প্রস্তুতি হিসেবে নিজেদের নাম নিবন্ধন করেছেন। জাতির উদ্দেশে দেওয়া বার্তায় বলা হয়, ইরান ও তার জনগণ কখনো শত্রুর সামনে মাথা নত করবে না এবং কোনো শক্তিই তাদের সংকল্পকে দুর্বল করতে পারবে না।
বিবৃতিতে দেশব্যাপী চলমান সমাবেশগুলোকে ‘মহাকাব্যিক ও নজিরবিহীন’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। আইআরজিসির দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘বিনা উসকানির আগ্রাসন’-এর পর টানা ৪০ দিন ধরে এই বিক্ষোভ চলেছে এবং এখনও অব্যাহত রয়েছে।
এই অংশগ্রহণকে ইসলামি বিপ্লবের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ মোজতবা খামেনির প্রতি আনুগত্যের প্রকাশ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি পূর্ববর্তী নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ মোজতবা খামেনির মৃত্যুর পর দায়িত্ব গ্রহণ করেন বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।
আইআরজিসি আরও দাবি করে, দেশব্যাপী এই অংশগ্রহণ ‘আমেরিকান-জায়নবাদী শত্রুদের’ বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী দেশপ্রেমিক প্রতিরক্ষা গড়ে তুলেছে। বিশেষ করে ইমাম রেজা (আ.)-এর জন্মবার্ষিকীর দিন অনুষ্ঠিত সমাবেশগুলোকে বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণের সচেতনতা ও দায়িত্ববোধের প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরা হয়।
শত্রুপক্ষের ‘মনস্তাত্ত্বিক ও গণমাধ্যম যুদ্ধ’ উপেক্ষা করে জনগণের অংশগ্রহণকে প্রশংসা করে আইআরজিসি জানায়, এই সহনশীলতা ও ঐক্যের প্রদর্শন জাতির ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
Manual8 Ad Code
বিবৃতির শেষাংশে জনগণকে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, এ ধরনের গণসমাবেশ এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তুতিই দেশের প্রতিরক্ষা ও ‘চূড়ান্ত বিজয়’ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।