আজ মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারের হোটেল ছেড়েছেন এনসিপির পাঁচ শীর্ষ নেতা

editor
প্রকাশিত আগস্ট ৬, ২০২৫, ০২:১১ অপরাহ্ণ
কক্সবাজারের হোটেল ছেড়েছেন এনসিপির পাঁচ শীর্ষ নেতা

Oplus_16908288


Manual7 Ad Code
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজারের হোটেল ছেড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পাঁচ শীর্ষ নেতা। বুধবার (৬ আগস্ট) বেলা দেড়টার দিকে একটি ভিআইপি সাদা রঙের গাড়িতে তারা হোটেল সি-পার্ল ত্যাগ করেন।
সূত্রে জানায়, কক্সবাজারের কলাতলিস্থ শালিক রেস্তোরাঁয় এনসিপি নেতারা দুপুরের খাবার খান। বেলা সাড়ে ৩টায় সৈকত সাগর সংলগ্ন হোটেল প্রাসাদ প্যারাডাইজে অবস্থান নেন। তবে তারা কখন কক্সবাজার ছেড়ে যাচ্ছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) হঠাৎ কক্সবাজারে আসেন এনসিপির শীর্ষ পাঁচ নেতা। তাদের আগমনকে ঘিরে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়।
এমনকি তাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের বৈঠকের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। তবে হোটেল কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র বলছে বিষয়টি সত্য নয়।
কক্সবাজার জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, এনসিপির নেতারা মঙ্গলবার বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে কক্সবাজার আসেন। পরে ইনানীর সি-পার্ল বিচ রিসোর্টের (রয়েল টিউলিপ) ৫০০১, ৫০০২ ও ৫০০৩ নম্বর কক্ষে অবস্থান নেন।
তিনি জানান, এনসিপির পাঁচ নেতা মধ্যে রয়েছেন- হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, ডা. তাসমিন জারা, নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারী ও খালেদ সাইফুল্লাহ। তারা ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার না করে সাধারণ যাত্রীদের গেট দিয়ে বের হয়ে যান। তবে সূত্রটি বলছে, তাদের সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন সারজিস আলমের স্ত্রীও।
এনসিপি নেতাদের বহনকারী গাড়িচালক নুরুল আমিন জানান, তার গাড়িতে করে হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীসহ দুজন নারী (একজন সারজিস আলমের স্ত্রী এবং অপরজন সমন্বয়ক তাসনিম জারা) হোটেল সি-পার্লে যান।
তার গাড়িটি পূর্ব নির্ধারিত ভাড়া করা নয়। বিমান থেকে নেমে ওই গাড়ি করে সরাসরি হোটেলে চলে যান।
এরইমধ্যে গণঅভ্যুত্থান দিবসে বিনা নোটিশে কক্সবাজার যাওয়ায় হাসনাত-সারজিসসহ এনসিপির ৫ শীর্ষ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। দলের যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত এক বিজ্ঞপ্তি এনসিপির ৫ নেতার কাছে পাঠানো হয়েছে।
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য সচিব আখতার হোসেনের কাছে স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত বক্তব্যে ব্যাখ্যা প্রদান করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।