বাবার গ্রেপ্তার নিয়ে গোপালগঞ্জ আ. লীগের সাধারণ সম্পাদকের ছেলের ফেসবুক পোস্ট
বাবার গ্রেপ্তার নিয়ে গোপালগঞ্জ আ. লীগের সাধারণ সম্পাদকের ছেলের ফেসবুক পোস্ট
editor
প্রকাশিত জুন ১০, ২০২৫, ০৬:৪৮ অপরাহ্ণ
Manual7 Ad Code
রেডটাইমস ডেস্ক:
Manual5 Ad Code
ভারতে যাবার সময় মঙ্গলবার (১০ জুন) যশোরের বেনাপোল ইমিগ্রেশনে গ্রেপ্তার হন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম শাহাব উদ্দিন আজম। এদিকে, বাবার গ্রেপ্তার হওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা এক ভিডিও বার্তায় এ বিষয় নিয়ে মুখ খুলেছেন ছেলে হাইজু মুনতাকা আজম।
ভিডিও বার্তায় মুনতাকা আজম বলেন, আমার বাবা শারীরিকভাবে অসুস্থ। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতার জন্য ভারতে চিকিৎসা নেন। কিন্তু গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে তার চিকিৎসা হচ্ছে না, সে শরীরিকভাবে খুবই অসুস্থতার জন্য ভারতে রওনা দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে যশোরের বেনাপোল ইমিগ্রেশনে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
Manual2 Ad Code
তিনি আরও বলেন, অনেকই দেখছি ফেসবুকে পোস্ট করছে, জিএম শাহাব উদ্দিন আজম ভারতে পালাতে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক। যদি সে ভারতে পালাতে চাইতো তাহলে কি বৈধ পথে যেতো। সে বৈধভাবে বেনাপোল বর্ডার দিয়ে দিনে দুপুরে গেছেন। যদি সে পালাতে চাইতো, অনেক জায়গা ছিলো পালানোর, সে কখনো পালাইনি।
Manual5 Ad Code
হাইজু মুনতাকা আজম আরও বলেন, ২০০৭ সালেও একবার হত্যা মামলার আসামি হয়েছিলো। সে অনেক বার জেল খেটেছে। জেল খেটেও সে কখনো পালায়নি। জিএম শাহাব উদ্দিন আজম গোপালগঞ্জের ছেলে। তার জন্য দোয়া করবেন। আমার বাবার গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানাবেন। আমার বাবার যদি চিকিৎসা করানো না হয়, তার জবাব আমরা গোপালগঞ্জবাসী দেব।
এর আগে, মঙ্গলবার (১০ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় আটক হন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম শাহাব উদ্দিন আজম। আটককৃত জিএম শাহাব উদ্দিন আজম গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বিনাপানি গার্স স্কুল রোড এলাকার মৃত মইনদ্দিনের ছেলে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেন মুন্সি জানান, আগে থেকে ইমিগ্রেশনে খবর ছিল গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম শাহাব উদ্দিন আজম ভারতে যেতে পারেন। সেই মোতাবেক বহির্গমন বিভাগের সব অফিসারকে সতর্ক করা হয়। পরবর্তীতে মঙ্গলবার (১০ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পাসপোর্ট ডেস্কে জমা দিলে যাচাই বাছাই করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার নামে একাধিক মামলা রয়েছে।