এক বছরে ২৫০ গার্মেন্টস বন্ধ হয়েছে, বাকি ব্যবসায়ীরাও ধুঁকছেন : ফজলে শামীম
এক বছরে ২৫০ গার্মেন্টস বন্ধ হয়েছে, বাকি ব্যবসায়ীরাও ধুঁকছেন : ফজলে শামীম
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ণ
Manual6 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক:
Manual6 Ad Code
বিকেএমইএ-এর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেছেন, গত এক বছরে ২০০ থেকে ২৫০ গার্মেন্টস বন্ধ হয়েছে। কিন্তু বাকিরা যারা আছেন তারা কি বেঁচে আছেন? আমরা যারা বাকিরা আছি তারা মৃত্যুর পথযাত্রী, আমরা ধুঁকছি। আমরা কতদিন টিকতে পারব এই গার্মেন্টস সেক্টরে এটা জানি না। আমি ২৮ বছর ধরে ব্যবসা করি।
খুব অল্প বয়সে ব্যবসা শুরু করেছিলাম। আল্লাহর রহমতে আমি কোনোদিন লস করি নাই। কম বেশি প্রত্যেক বছর আমার লাভ ছিল। ২০২৫ একমাত্র সাল আমার জীবনে যেটায় লস হয়েছে।
সম্প্রতি একটি টক শোতে তিনি এসব কথা বলেন।
ফজলে শামীম বলেন, ‘কোভিডেও আমার ফ্যাক্টরিতে পুরা বেতন দিয়েছিলাম। এপ্রিল মাসে ফ্যাক্টরি বন্ধ ছিল আমি বলেছিলাম যে, আমার শ্রমিকরা পুরা বেতন পাবে। না হলে তারা চলবে কিভাবে? তাদেরও তো সংসার আছে।
এর পরও আমি কোনোদিন লস করিনি। কিন্তু এই ২০২৫ আমার জীবনের প্রথম বছর যে বছর আমি লস করেছি। আমার প্রায় দুই তিন বছরের প্রফিটের সমান টাকা চলে গিয়েছে।’
শামীম বলেন, ‘আমরা এখন যারা বেঁচে আছি তারা প্রফিট করতে পারছি না। অর্ডার কম তার ভেতরে দাম কমানোর চাপ।
অন্যান্য খরচ বাড়ছে, সরকারি খরচ বাড়ছে। মনে করেছিলাম এত রক্তের বিনিময়ে আমরা যে বিপ্লব পেয়েছি তাতে অন্তত ঘুষটা কমবে। ঘুষ তো কমেই নাই, কিছু কিছু বেড়েছে।’
শামীম আরো বলেন, ‘ওখানে কিন্তু কোনো মব হয় না। যারা মববাজ তারা কিন্তু ওখানে যেয়ে মব করে না যে—এখানে ঘুষ নেওয়া হচ্ছে কেন? চল আমরা বন্ড অফিসে গিয়ে মব করি। চল আমরা কাস্টম অফিসে মব করি। চল আমরা চিটাগাং পোর্টে গিয়ে মব করি—যে ঘুষ খাবে তাকে আমরা ধরব। সেই মব কিন্তু হয় না। মব হয় অন্যান্য খারাপ কারণে।