আজ সোমবার, ১৫ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন

editor
প্রকাশিত জুলাই ১, ২০২৫, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ
টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন

Sharing is caring!


Manual5 Ad Code
মোঃ ওবায়দুল হক মিলন, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার ও বালু মহালে লুটপাট বন্ধ, শ্রমিকের স্বার্থ রক্ষা এবং পরিবেশ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ জুলাই)  সকাল ১১টায় সুনামগঞ্জ জেলা শহরের আলফাত স্কয়ারে আন্ত:উপজেলা অধিকার পরিষদ ও সুনামগঞ্জ পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর জেলা সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম সাঈদের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন আন্তঃউপজেলা অধিকার রক্ষা পরিষদের সভাপতি নূরুল হক আফিন্দী, সুনামগঞ্জ পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি এ কে এম আবু নাছার, জেলা সুজন’র সাংগঠনিক সম্পাদক নূরুল হাসান আতাহার, হাউস’র নির্বাহী পরিচালক সালেহীন চৌধুরী শুভ, কেন্দ্রীয় হাওর বাঁচাও আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ কে কুদরত পাশা, আমার সুনামগঞ্জ এর সম্পাদক মোঃ সুহেল আলম, জেলা হাওর বাঁচাও আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওবায়দুল হক মিলন, দোয়ারাবাজার উপজেলা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ খলিলুর রহমান, জামালগঞ্জ উপজেলা কল্যাণ সমিতির সাংগঠনিক মোঃ মদরিছ মিয়া চৌধুরী, ধোপাজান চলতি নদীর শ্রমিক নেতা মোঃ হাফিজুর রহমান, নূরুল ইসলাম নূরু প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, সম্পদ আর সৌন্দর্যে ভরপুর টাঙ্গুয়ার হাওরের চিত্র আজ করুণ। সুন্দরবনের পর জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ জলাভূমি হিসেবে ঘোষিত টাঙ্গুয়ার হাওর রামসার ঘোষণার পরও সুরক্ষিত ব্যবস্থাপনার অভাবে আজ অভিভাবকহীন। সবাই মিলে যেমন ইচ্ছে তেমন ধ্বংস করছে। মাছ, গাছ, পাখিসহ জীববৈচিত্র্যের আধার, বিশেষ করে মিঠাপানির মাছের জন্য বিখ্যাত এই হাওরে অবাধ আহরণের কারণে মাছ কমছে। হাওর ভরাট, বন ও আবাসস্থল ধ্বংস, মানুষের উৎপাত ও শিকারের ফলে কমছে পাখির সংখ্যা। যে অভয়ারণ্যে ট্রলারচালিত নৌকা ঢোকাই নিষেধ, সেখানে অবাধে চলছে শতাধিক হাউসবোট। পর্যটকদের অবাধ বিচরণও হাওরের পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই সবার আগে পরিবেশকে গুরুত্ব দিতে হবে। আবার টাঙ্গুয়ার হাওরের পর্যটনের কারণে স্থানীয় মানুষ কোনো সুবিধা পাচ্ছে না, বরং তারা নানা ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে। হাওরের সম্পদ বিনষ্ট হচ্ছে। এভাবে পর্যটন চলতে পারে না। স্থানীয় মানুষের স্বার্থ অবশ্যই দেখতে হবে। এখানে নৌকাগুলোকে একটি নির্দিষ্ট রুটে চলাচল করতে হবে এবং ইঞ্জিনচালিত নৌকা মূল টাঙ্গুয়ার হাওরের ঢোকার আগেই থামিয়ে দিতে হবে। এটা যদি সম্ভব না হয় তাহলে এখানে পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে একসময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে পর্যটন বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা আশা করি সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code