কাজল মিয়া জানান, ফাহিম সারাদিন রিকশা চালিয়ে সন্ধ্যায় বাড়িতে গিয়ে ভাত খেয়ে আবার বের হয়ে রাতে বাড়ি ফিরে। বৃহস্পতিবার রাতে আমি ব্যবসার কাজে সিলেটে যাই। ভোরে বাড়িতে গিয়ে তাকে বিছানায় দেখতে না পেয়ে তার মাকে জিজ্ঞেস করলে সে জানায় ফাহিম সন্ধ্যায় ভাত খেয়ে বের হয়ে আর বাড়ি আসেনি। পরে ঘরের পিছনে পেয়ারা গাছের সাথে ঝুঁলন্ত অবস্থায় তার লাশ দেখতে পাই।
জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মুর্শেদুল আলম ভূইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘গাছের সাথে ঝুলন্ত লাশ পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে পরবর্তী ব্যরস্থা নেয়া হবে।’