সিলেটে দুই দিনব্যাপী ‘হাছন উৎসব-২০২৫’ শুরু। হাছন রাজা লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতি সংস্কৃতি পরিষদের আয়োজনে রবিবার (২১ ডিসেম্বর) ছিল এই হাছন উৎসব এর প্রথম দিন।
সিলেট নগরীর চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে শুরু হয়ে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত নানা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে শেষ হয়।
উৎসবে হাছন রাজার জীবন, দর্শন এবং লোকসংস্কৃতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন আলোচক বৃন্দরা। আলোচনা সভা শেষে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, আবৃত্তি ও পরিবেশিত হয় হাছন রাজার গান।
হাছন রাজা লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ডা: জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী জানান, ‘সূফীকবি হাছনরাজার জন্মদিন আজ ২১ শে ডিসেম্বর। অহিংস, বুদ্ধিবৃত্তিক, স্রষ্টা ও পরকালকেন্দ্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠিত হোক- এই লক্ষ্যে বাংলার চিরায়ত সূফীবাদী সংষ্কৃতিকে উজ্জীবিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে হাছন রাজা লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ। সিলেটের আয়োজনে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গবেষক, শিল্পী, সাহিত্যপ্রেমী ও সংস্কৃতিমনা মানুষ যোগ দেন।’
উৎসবকে ঘিরে সিলেটের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। দ্বিতীয় দিনেও উৎসবে সপরিবারে সকলের উপস্থিতি কামনা করেছেন আয়োজকরা।
ডা: জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী আরও জানান, শনিবার থেকে ‘হাছনরাজা লোক উৎসব ২০২৫’ শুরু পূর্ব ঘোষিত তারিখ অনুযায়ী শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু শহীদ ওসমান হাদীর মৃত্যু ও রাষ্ট্রীয় শোক দিবসকে সম্মান জানিয়ে ২১ ডিসেম্বর থেকে উৎসব শুরু করা হয়। শীত ও কুয়াশায় ঘেরা ব্যস্ত নগরীতে লালন উৎসবে মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত।