আজ মঙ্গলবার, ১০ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজনগর বিএনপি সভাপতিকে শোকজ; নেতৃবৃন্দের অসন্তোষ

editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ণ
রাজনগর বিএনপি সভাপতিকে শোকজ; নেতৃবৃন্দের অসন্তোষ

Manual7 Ad Code

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতিকে শোকজ করা নিয়ে রাজনগর উপজেলা বিএনপি’র মধ্যেই অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ঠুনকো অভিযোগে শোকজ করায় নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোকজ নোটিশ প্রচার হওয়ায় রাজনগর বিএনপি’র নেতাকর্মীদের মাঝে এ অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাত থেকে ফেসবুকে এ শোকজ নোটিশটি ভাইরাল হয়েছে। এতে জেলা বিএনপি’র সভাপতি এডভোকেট ফয়জুল করিম ময়ূন ও সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন স্বাক্ষর করা দলীয় প্যাডে নোটিশটি ঘুরপাক খাচ্ছে।

উপজেলা বিএনপি ও শোকজ নোটিশ সূত্রের বরাতে জানা যায়, রাজনগর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি নূরুল ইসলাম সেলুনের মা দীর্ঘদিন থেকে অসুস্থ। শয্যাশায়ী রয়েছেন তিনি। সিলেট ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। গত কয়েকদিন থেকে তিনি অসুস্থ থাকায় তাকে সিলেটের মাউন্টএডোরা প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। সেখান থেকে ডাক্তার তাকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করেন। পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যান। এছাড়াও কাতারে তার এক ভাগ্না মৃত্যুবরণ করলে তার লাশ গ্রহণের জন্য বিমানবন্দরে যেতে হয়। কিন্তু সিলেট থেকে দ্রুত ফ্লাইট ধরতে গিয়ে মোবাইল ফোন ভুলে গাড়িতেই রেখে যান।

এদিকে মোবাইল ফোন বন্ধ থাকা ও কোন ভাবেই তার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারছিলেন না জেলা বিএনপি’র নেতারা। তাকে বিভিন্ন ভাবে খোঁজে না পেয়ে নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এলাকার বাহিরে থাকায় তাকে শোকজ করে জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটি।

Manual6 Ad Code

Manual4 Ad Code

রাজনগর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি নূরুল ইসলাম সেলুন বলেন, আমার ৮২ বছরের বৃদ্ধা মা অসুস্থ। তাকে নিয়ে আমি সিলেট ও ঢাকায় ছিলাম। গত বুধবার বিকালে গিয়ে শুক্রবার বিকালে চলে এসেছি। দ্রুত ফ্লাইট ধরতে গিয়ে মোবাইল রেখেই চলে যাই। কিন্তু দুঃখজনক ভাবে আমাকে শোকজ করা হয়েছে। তাও আমাকে না দিয়ে ফেসবুকে প্রচার করা হয়েছে। এটা দুঃখজনক।

Manual2 Ad Code

এব্যাপারে উপজেলা বিএনপি’র সম্পাদক আব্বাস আলী বলেন, তিনি তার মাকে নিয়ে হাসপাতালে ছিলেন। ভুলে গাড়িতে মোবাইল ফোন রেখে চলে যান। কিন্তু এটাকে পূঁজি করে শোকজ নোটিশ দেয়া কাম্য নয়।

জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক অ্যাডভোটেক ফয়জুল করিম ময়ূন শোকজের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তিনি একটি উপজেলার সভাপতি। তার অনেক দায়িত্ব আছে। নির্বাচনী গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তিনি মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে উধাও হয়ে গেলেন। তাকে না পাওয়ায় আমরা শোকজ করেছি।

Manual1 Ad Code